দেখতে চান সেই নেত্রীকে

আমার দেখা সব থেকে বড় মনের মানুষ বাংলাদেশের প্রাইমিনিস্টার শেখ হাসিনা।

Computer Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Computer Tips লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৬

এবার প্রযুক্তি নিয়ে আসছে মাইক্রোসফটের ‘সারফেস স্টুডিও’ দেখে নিন

প্রথমবারের মতো অল-ইন-ওয়ান পিসি আনছে টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট। ‘মাইক্রোসফট সারফেস স্টুডিও’ নামে এই পিসিকে একই সঙ্গে নানন্দিক এবং শক্তিশালী করে নির্মাণ করেছে মাইক্রোসফট। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল জানিয়েছে এ তথ্য।
অ্যালুমিনিয়াম ধাতুতে গড়া হয়েছে সারফেস স্টুডিওকে। সারফেস স্টুডিওর ২৮ ইঞ্চি পিক্সেলডেন্স টাচস্ক্রিন মনিটরের পুরুত্ব মাত্র ১২ দশমিক ৫ মিলিমিটার। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থেকে দাবি করা হয়েছে, এখন পর্যন্ত নির্মিত সব অল-ইন-ওয়ান এলসিডি মনিটরের মধ্যে সারফেস স্টুডিওরটি সবচেয়ে পাতলা।

অন্যদিকে, মনিটরে ব্যবহৃত হয়েছে গরিলা গ্লাস এবং ৩ : ২ অ্যাসপেক্ট রেশিওর মনিটরে থাকছে এক কোটি ৩৫ লাখ পিক্সেল। পিক্সেলের হিসাবে ফোরকে টিভির চেয়েও ৬৩ শতাংশ বেশি পিক্সেল অন্তর্ভুক্ত থাকবে স্টুডিওর মনিটরে!
শুধু ডিজাইনের দিকেই মনোযোগ দেয়নি মাইক্রোসফট, স্পেসিফিকেশনের দিকেও বেশ খেয়াল রেখেছে তারা। ইন্টেলের সর্বশেষ কোয়াডকোর আই৭ প্রসেসরের সঙ্গে থাকছে ৩২ গিগাবাইট র‍্যাম ও ২ টেরাবাইট হাইব্রিড ড্রাইভ।
গ্রাফিকস কার্ড হিসেবে থাকছে এনভিডিয়ার জিফোর্স ৯৮০এম। ২ দশমিক ১ স্টেরিও ডলবি অডিও স্পিকার থাকছে এখানে। অন্যদিকে, একটি মাইক্রোফোনও যুক্ত আছে স্টুডিওতে কর্টানা ব্যবহারে সুবিধার জন্য। তা ছাড়া রয়েছে এইচডি ওয়েবক্যাম।

অন্যান্য যন্ত্রাংশ হিসেবে থাকছে কিবোর্ড ও মাউস। একই সঙ্গে ডিজিটাল আর্ট ও ডিজাইনের ক্ষেত্রে আরো বেশি স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য থাকছে মাইক্রোসফট ডায়াল। তা ছাড়া অন্যান্য টাচস্ক্রিনের মতো এখানেও ব্যবহার করা যাবে স্টাইলাস পেন।
মাইক্রোসফট বর্তমানে অনলাইনে সারফেস স্টুডিওর আগাম অর্ডার নিচ্ছে। খুব দ্রুতই বাজারে আসবে এই অল-ইন-পিসি। প্রাথমিক পর্যায়ে এই সারফেস স্টুডিওর দাম রাখা হয়েছে দুই হাজার ৯৯৯ মার্কিন ডলার।
Share:

রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৬

কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়ার ও অফিস এপ্লিকেশন সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান ১০০ পর্বের ৫ম পর্ব দেখুন বাকি ৯৫ পর্ব আসিতেছে খুব শিঘ্রই

সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার আজকের ২য় টিউন শুরু করছি। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি। আর কেউ যদি কম্পিউটার নিয়ে সমস্যায় থাকেন তবে এই টিউনটা পড়লে অনেক উপকৃত হবেন আজকের সমস্যার ধরণ: হার্ডওয়্যার ১. আপনার কম্পিউটারের মনিটরে ছবি আসে না তাহলে আপনি দেখতে পারেন. আমাদের সমাধান: যদি মনিটরে কোনো ডিসপ্লে না আসে এবং এর লেড লাইট জ্বলে নিভে তখন বুঝতে হবে গ্রাফিক্স/ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে গেছে। কানেকশন চেক করুন। অনেকসময় র্যামের স্লট পরিবর্তন করলেও এই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।বায়োস সেটিংস রিসেট করেও দেখতে পারেন। ২. গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা বোঝার উপায় কি? জেনে নিন এখনই আমাদের সমাধান: যদি মনিটর ও পিসির পাওয়ার সুইচ অন করার পর তিনটি শর্ট বীপ শুনতে পান তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ডটি খুলে অন্য পিসিতে লাগিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন এটি ঠিক আছে কিনা। আর যদি বিল্টইন গ্রাফিক্স হয় তাহলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড এজিপি স্লটে লাগিয়ে টেস্ট করতে পারেন।ইন্টিগ্রেটেড এজিপির সমস্যা সমাধানে বায়োস সেটিংস রিসেট করে দেখতে পারেন। ৩. মনিটর ঝাপসা বা ছবি কাঁপলে কি করবেন দেখে নিতে পারেন এখান থেকে আমাদের সমাধান: যদি মনিটর ঝাপসা মনে হয় বা এটি কাঁপতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মনিটর ও গ্রাফিক্স কার্ডের রিফ্রেশ রেটে অসামঞ্জস্য আছে। যদি উইন্ডোজ লোড হওয়াকালীন এই সমস্যা হয় তাহলে বুঝবেন মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেটিংস করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সিস্টেম বুট হবার পর যখন Starting Windows মেসেজটি দেখবেন তখনই কী-বোর্ডের এফ৮ চেপেসেফ মোডে উইন্ডোজ চালু করুন। এর গ্রাফিক্স/ডিসপ্লে প্রোপার্টিজে গিয়েরিফ্রেশ রেট ঠিক করুন।
Share:

শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৬

কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়ার ও অফিস এপ্লিকেশন সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান ১০০ পর্বের ৪র্থ পর্ব দেখুন বাকি ৯৬ পর্ব আসিতেছে খুব শিঘ্রই


সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার আজকের টিউন শুরু করছি। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি। আর কেউ যদি কম্পিউটার নিয়ে সমস্যায় থাকেন তবে এই টিউনটা পড়তে পারেন। আশা করি আপনার অনেক কাজে দিবে তাহলে শুরু করা যাক
আপনার কম্পিউটার কম্পিউটার চালু না হলে করণীয় কি? সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
আমাদের সমাধান: এটিকে একটি পরিচিত সমস্যা হিসেবেই চিহ্নিত করতে চাই। নিয়মিত কম্পিউটার চালু হয় না এমনটা বললে মনে হয় ভুল বলা হবে না। নতুন ব্যবহারকারীদের কাছে এই সমস্যার একটাই সমাধান। তা হচ্ছে বিক্রেতার শরণাপন্ন হয়ে অযথা পয়সা খরচ। নিচের কথাগুলো শুনুন মনোযোগ দিয়ে। আশা করি আপনার চেষ্টা বিফলে যাবে না।
* পাওয়ার সুইচ অন করার পর সিস্টেমের ইন্টারনাল স্পিকার কয়টা আওয়াজ করলো খেয়াল করুন। যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না। অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।
# যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র‌্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড। র‌্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
#যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।
# আর যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
# তবে এর জন্য আপনার পিসিতে ইন্টারনাল স্পীকার কিন্তু থাকতে হবে। অনেক মাদারবোর্ডে ইন্টারনাল স্পীকার বিল্ট-ইন থাকে।অন্যগুলাতে আলাদা লাগাবে হয়।সাধারনত কম্পিউটার কেনার সময় বিক্রেতাই এটি দিয়ে দেয় তবে অনেকসময় ভুলে তা ঠিকমতো লাগানো নাও থাকতে পারে।সেক্ষেত্রে আপনার মাদারবোর্ডের বক্সে দেখুন স্পীকার পান কিনা।নইলে সময় করে বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে আসুন।বুঝতেই পারছেন কেন আমি এটাকে এতো গুরুত্ব দিচ্ছি।
* মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে ? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনাকে অভিনন্দন। আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।সমস্যাটা ছোটোখাটো।নো টেনশন!
* যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা। খোঁজার চেষ্টা করুন সমস্যাটা কোথায়।
* এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
* এবারেও কাজ হয়নি ? হতে পারে আপনার পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা। তবে অনভিজ্ঞরা এই কাজটি না করতেযাওয়াটাই ভালো।
* পাওয়ার সংক্রান্ত সমস্যার আশাকরি সমাধান হলো। এবারও কম্পিউটার চালু হচ্ছে না ? তাহলে বুঝতে হবে র‌্যামের সমস্যা। র‌্যামের স্লট পরিবর্তন করে নতুবা অন্য র‌্যাম লাগিয়ে দেখুন।
* কম্পিউটার বুট হলো ঠিকঠাক কিন্তু উইন্ডোজ লোডিং-এর আগেই আটকে গেছে ? তখন বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কের সমস্যা। হার্ডডিস্কের পাওয়ার ও ডাটা ক্যাবলের কানেকশন চেক করুন। সম্ভব হবে মাদারবোর্ডের যে কানেক্টরে ক্যাবলটি লাগানো তা পরিবর্তন করে দেখুন। এছাড়া এমনটি কি হচ্ছে কম্পিউটার ঠিকমতো চালু হচ্ছে হয়তো অপারেটিং সিস্টেমও লোড হচ্ছে তারপর ধুড়ুম করে পিসি বন্ধ হয়ে রিস্টার্ট করছে। এটি সম্ভবত প্রসেসরের কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক ও প্রসেসরের কানেকশনের দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। চেক করে দেখুন ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কি-না বা ফ্যানসহ সবকিছু ঠিকমতো টাইট আছে কিনা। পারলে কুলিং ফ্যানসহ হিটসিংক খুলে আবারও লাগান। কুলিং ফ্যান দুইপাশে একসাথে চাপ দিয়ে খুলতে হয়।
আর হঠাৎ করে বন্ধ না হলে মানে একটু সময় নিয়ে সংকেত দিয়ে বন্ধ হওয়া মানে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার আপনি।
হঠাৎ বলতে আমি এটা বুঝাচ্ছি যে কম্পিউটার চলার সময় পাওয়ার চলে গেলে যেভাবে বন্ধ হয় সেরকম ঘটনা।
এছাড়াও কোনো না কোনো ক্যাবল লুজ/ নষ্ট হয়ে যাবার কারণেও কম্পিউটার চালু হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই ব্যাপারটিও খেয়াল রাখবেন।
Share:

কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়ার ও অফিস এপ্লিকেশন সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান ১০০ পর্বের ৩য় পর্ব দেখুন বাকি ৯৭ পর্ব আসিতেছে খুব শিঘ্রই


সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার আজকের টিউন শুরু করছি। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি। আর কেউ যদি কম্পিউটার নিয়ে সমস্যায় থাকেন তবে এই টিউনটা পড়ার পর মনে হয়না তিনি আর সমস্যায় থাকবেন। কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের নাম শনাক্তের উপায় জেনে নিন, সমস্যার ধরণ: হার্ডওয়্যার আমাদের সমাধান: কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সম্পর্কে ধারণা পেতে হলে আগে আপনাকে কেসিং খুলেতে হবে। এজন্য কেসিং এর পেছনের দুইটি স্ক্রু খুলে ভেতরে তাকান। 1. মূল যে বড় সার্কিট বোর্ডটি দেখছেন তাই মাদারবোর্ড। আর পাওয়ার সাপ্লাই থাকে কেসিং এর উপরে পেছন দিকে। পাওয়ার সাপ্লাই থেকে অনেকগুলো লাল, হলুদ, কালো বা নীল তার বের হয়ে আসে। এর কিছু সংযুক্ত মাদারবোর্ডে আর কিছু সরাসরি অন্য হার্ডওয়্যারে যেমন- সিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক। 2. মাদারবোর্ডে প্রসেসর কোনটি তা বুঝতে এর কুলিং ফ্যান খুঁজে বের করুন। সাধারণত এটি মাদারবোর্ডের উপরে কিছুটা বামে থাকে। প্রসেসর ফ্যানের জন্য সরাসরি দেখা সম্ভব নয়। 3. র্যাম সাধারণ প্রসেসরের ডানপাশে থাকে। মডেলভেদে ২-৪টি স্লট,লম্বাকৃতির। 4. সাউন্ডকার্ড কোনটি বুঝতে হলে খুঁজে বের করুন স্পিকারের ইনপুট জ্যাক কোথায় লাগে সেই ডিভাইসটি। 5. একইভাবে মনিটরের ক্যাবল দিয়ে জানতে পারবেন কোনটি আপনার গ্রাফিক্স কার্ড। 6. একই উপায়ে মডেম (টেলিফোনের তার), ল্যান কার্ড (ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার) খুঁজে বের করতে পারবেন আপনি। 7. চিকন চিকন লাল, হলুদ, কাল বা নীল তারগুলো পাওয়ার ক্যাবল। সাদা বা লাল চওড়া ক্যাবলগুলো ডাটা ক্যাবল। 8. সাধারণ একটি পিসিতে কেসিং-এর পেছনে পাওয়ার কর্ড, মনিটর কর্ড,মাউস ও কী-বোর্ড, স্পিকার ইনপুট এগুলো প্রাথমিক অনুসঙ্গ যা সব পিসিতেই আছে। বিভিন্ন ক্যাবল আলাদা রকমের হওয়াতে সবচেয়ে বড় সুবিধা এক ধরনের কানেকশন আপনি ভুল করে চাইলেও অন্যটিতে লাগাতে পারবেন না।
Share:

কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়ার ও অফিস এপ্লিকেশন সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান ১০০ পর্বের ২য় পর্ব দেখুন বাকি ৯৮ পর্ব আসিতেছে খুব শিঘ্রই




সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার প্রথম টিউন শুরু করছি। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি। আর কেউ যদি কম্পিউটার নিয়ে সমস্যায় থাকেন তবে এই টিউনটা পড়ার পর মনে হয়না তিনি আর সমস্যায় থাকবেন।
১. বাসায় ওয়াই ফাই সেটাপ করতে চান নিজেই, তাহলে আপনার জন্য । সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট কানেক্শন
আমাদের সমাধান: আপনি যদি ল্যাপটপে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে চান তাহলে শুধু একটা ওয়াইফাই রাউটার কিনলেই হবে। আর ডেস্কটপে ব্যবহার করতে চাইলে ডেস্কটপের জন্য আলাদা এডাপ্টার কিনতে হবে। অথবা চাইলে ডেস্কটপে রাউটার থেকে ল্যান ক্যাবল দিয়েও ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্কিং এর কাজ করতে পারবেন। বাজারে দুই ধরনের রাউটার পাওয়া যায়। ৫৪এমবিপিএস এবং ৩০০ এমবিপিএস। মোটামুটি ২২০০ টাকার মধ্যেই ৫৪ এমবিপিএস রাউটার পাওয়া সম্ভব। আর রাউটার সেটাপ করা অনেকটা ক্যাবল ইন্টারনেট সেটাপের মতোই। এটা সংশ্লিষ্ট ম্যানুয়াল দেখে সহজেই আপনি করে নিতে পারবেন।

২. গুগল ক্রোমে নেট ব্রাউজিং সমস্যা, সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট ব্রাউজিং
আমাদের সমাধান: আপনার ক্রোমে যদি কোনো থার্ড পার্টি এড অন ইন্সতল করা থাকে তাহলে তা মুছে ফেলুন। ব্রাউজারের হিস্টরি এবং কুকিস মুছেও দেখতে পারেন। এতেও কাজ না হলে ক্রোমের নতুন এবং সর্বশেষ ভার্সন ব্যবহার করুন। ক্রোম সাধারণত প্রতি সপ্তাহেই নতুন নতুন ভার্সন বের করে।

৩. সিডি ড্রাইভের সমস্যা তাহলে আপনার জন্য, সমস্যার ধরণ: সিডি রম
আমাদের সমাধান: যদি সিডি ড্রাইভটি সাটা হয় তাহলে তার পোর্ট পরিবর্তন করে দেখুন। আর সিডি ড্রাইভ বেশি পুরাতন হলে তার হেড পরিস্কার করাটা জরুরি। অথবা আপনি নিজেই খুলে চেষ্টা করে দে;খতে পারেন আর না পারলে অভিজ্ঞ দের পরামর্শ নিতে পারেন
Share:

শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৬

কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়ার ও অফিস এপ্লিকেশন সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান ১০০ পর্বের ১ম পর্ব দেখুন বাকি ৯৯ পর্ব আসিতেছে খুব শিঘ্রই



সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার প্রথম টিউন শুরু করছি। আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি। আর কেউ যদি কম্পিউটার নিয়ে সমস্যায় থাকেন তবে এই টিউনটা পড়ার পর মনে হয়না তিনি আর সমস্যায় থাকবেন।
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়ার ও অফিস এপ্লিকেশন সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান ১০০ পর্বের ১ম পর্ব দেখুন বাকি ৯৯ পর্ব আসিতেছে খুব শিঘ্রই। আশা করি সাথেই থাকবেন। তাহলে শুরু করা যাক ।
 Image result for কম্পিউটার চালু না হওয়ার কারন ও তার সমাধান:
১. পিসি বারবার হ্যাং করছে নিয়ে নিন সমাধান. সমস্যার ধরণ: হার্ডডিস্ক, সিডি রম, RAM
আমাদের সমাধান: বিনা কারণেই যদি পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র‌্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক
র‌্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি। এছাড়া ভাইরাসের কারণেও এমনটা হতে পারে।


২. অপারেটিং সিস্টেম লোডিং টাইম. সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম
আমাদের সমাধান: সম্ভবত আপনার কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত। আপনি কোন ভালো অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করে দেখতে পারেন।যদি ঠিক না হয় তবে কমেন্ট করে জানাতে পারেন সেক্ষেত্রে আমরা দেখার চেষ্টা করব।
৩. কম্পিউটারের কেসিং খুলতে সাহায্য চাই সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
আমাদের সমাধান: কম্পিউটারের কেসিং খোলার কাজটি খুব সহজ। একটু ভালো করে খেয়াল করলেই আপনি এটি করতে পারবেন। সাধারণত কেসিং-এর পেছনে এটি খোলার ২+২=৪টি স্ক্রু থাকে। কেসিং খোলার আগের পাওয়ার সাপ্লাই অফ করুন। মাদারবোর্ডের পেছন থেকে সব প্লাগ খুলে ফেলুন।
সামনে থেকে কেসিংটাকে দেখলে এর বামপাশের অংশটি খুলতে হয়। এর পেছনে স্ক্রু দুটি খুলতে ভালো চারকোণা স্ক্রু ড্রাইভার লাগবে আপনার। খোলা স্ক্রু সযত্নে রাখুন।
স্ক্রু খোলা হয়ে গেলে কেসিং-এর পাশ থেকে কভারটি আলাদা করে নিন। সাধারণত কভারটি পেছনদিকে কিছুটা স্লাইড করে খুলতে হয়। 
Share:

বুধবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৬

পিসির কিছু সমস্যা ও সমাধান দেখে নিন এখনই

Image result for পিসির কিছু সমস্যা ও সমাধান পর্ব ১


আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহ মাতুল্লাহ সবাই কেমন আছেন আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি সম্পুর্ন ব্যতিক্রমী একটি টিপস নিয়ে। আশা করি আপনি আজকের পোষ্টের দ্বারা আপনি কিছুটা হলেও উপকৃত হবেন। যদি আপনি একজন পিসি বা ল্যাপটপ ইউজার হয়ে থাকেন।

অপারেটিং সিস্টেম লোডিং টাইম
আমাদের সমাধান: সম্ভবত আপনার কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত । আপনি কোন ভালো অ্যান্টিভাইরাস ব্যাবহার করে দেখতে পারেন।
সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম
পিসি বারবার হ্যাং করছে
আমাদের সমাধান: বিনা কারণেই যদি পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র‌্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র‌্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করুন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি। এছাড়া ভাইরাসের কারণেও এমনটা হতে পারে।
সমস্যার ধরণ: হার্ডডিস্ক, সিডি রম, RAM
কম্পিউটারের কেসিং খুলতে সাহায্য চাই
আমাদের সমাধান: কম্পিউটারের কেসিং খোলার কাজটি খুব সহজ। একটু ভালো করে খেয়াল করলেই আপনি এটি করতে পারবেন। সাধারণত কেসিং-এর পেছনে এটি খোলার ২+২=৪টি স্ক্রু থাকে। কেসিং খোলার আগের পাওয়ার সাপ্লাই অফ করুন। মাদারবোর্ডের পেছন থেকে সব প্লাগ খুলে ফেলুন।
সামনে থেকে কেসিংটাকে দেখলে এর বামপাশের অংশটি খুলতে হয়। এর পেছনে স্ক্রু দুটি খুলতে ভালো চারকোণা স্ক্রু ড্রাইভার লাগবে আপনার। খোলা স্ক্রু সযত্নে রাখুন।
স্ক্রু খোলা হয়ে গেলে কেসিং-এর পাশ থেকে কভারটি আলাদা করে নিন। সাধারণত কভারটি পেছনদিকে কিছুটা স্লাইড করে খুলতে হয়।
সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
বাসায় ওয়াই ফাই সেটাপ করতে চাই
আমাদের সমাধান: আপনি যদি ল্যাপটপে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে চান তাহলে শুধু একটা ওয়াইফাই রাউটার কিনলেই হবে। আর ডেস্কটপে ব্যবহার করতে চাইলে ডেস্কটপের জন্য আলাদা এডাপ্টার কিনতে হবে। অথবা চাইলে ডেস্কটপে রাউটার থেকে ল্যান ক্যাবল দিয়েও ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্কিং এর কাজ করতে পারবেন। বাজারে দুই ধরনের রাউটার পাওয়া যায়। ৫৪ এমবিপিএস এবং ৩০০ এমবিপিএস। মোটামুটি ২২০০ টাকার মধ্যেই ৫৪ এমবিপিএস রাউটার পাওয়া সম্ভব। আর রাউটার সেটাপ করা অনেকটা ক্যাবল ইন্টারনেট সেটাপের মতোই। এটা সংশ্লিষ্ট ম্যানুয়াল দেখে সহজেই আপনি করে নিতে পারবেন।
সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট
গুগল ক্রোমের সমস্যা
আমাদের সমাধান: আপনার ক্রোমে যদি কোনো থার্ড পার্টি এড অন ইন্সতল করা থাকে তাহলে তা মুছে ফেলুন। ব্রাউজারের হিস্টরি এবং কুকিস মুছেও দেখতে পারেন। এতেও কাজ না হলে ক্রোমের নতুন এবং সর্বশেষ ভার্সন ব্যবহার করুন। ক্রোম সাধারণত প্রতি সপ্তাহেই নতুন নতুন ভার্সন বের করে।
সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট
সিডি ড্রাইভের সমস্যা
আমাদের সমাধান: যদি সিডি ড্রাইভটি সাটা হয় তাহলে তার পোর্ট পরিবর্তন করে দেখুন। আর সিডি ড্রাইভ বেশি পুরাতন হলে তার হেড পরিস্কার করাটা জরুরি।
সমস্যার ধরণ: হার্ডডিস্ক, সিডি রম, RAM
ভালো থাকুন , সুস্থ্য থাকুন এই কামনা করে শেষ করলাম
এই পোষ্টের প্রথম প্রকাশ নিউপোষ্টবিডি.কম

Share:

শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

নতুন করে মাইক্রোসফট কোম্পানি কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার সুপারকম্পিউটার বানাচ্ছে বিস্তারিত দেখে নিন এখনই.....

 আজ শুক্রবার ‘মাইক্রোসফট ইগনাইট’ সম্মেলনে নিজের বক্তব্যে এ কথা জানান সত্য নাদেলা। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার আটলান্টায় গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে সম্মেলনটি। চলবে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগকে শুধুমাত্র গেমিংয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চায় না মাইক্রোসফট। বরং মানুষের কল্যাণে এবং বড় পরিসরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগাতে চায় তারা। এ খবর জানিয়েছেন মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলা।
সম্মেলনে সত্য নাদেলা জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সুপারকম্পিউটার তৈরি করবে মাইক্রোসফট। ক্লাউডের মাধ্যমে যে কেউ এটি ব্যবহার করতে পারবেন। এ খবর জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেক ক্রাঞ্চ। 
সত্য নাদেলা বলেন, ‘আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে গেমিংয়ের কাজে ব্যবহার করছি না। আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ব্যবহার করে প্রত্যেকটি মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করব। যাতে আমাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো দূর করা যায়। পৃথিবীকে কীভাবে আরো উন্নত করে তোলা যায় সেটাই হবে আমাদের প্রচেষ্টা।’
মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চারটি ভিত্তি নিয়ে কাজ করবে মাইক্রোসফট। এগুলো হচ্ছে এজেন্টস, অ্যাপ্লিকেশন্স, সেবা ও অবকাঠামো।
নাদেলা জানান, কর্মসংস্থান ও নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে লিংকডইনের বিশাল তথ্যভাণ্ডারকে ব্যবহার করা হবে। গত জুনে লিংকডইন কিনে নেয় মাইক্রোসফট।
নিরাপত্তা ও বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক প্রযুক্তি নিয়ে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সম্মেলন হচ্ছে ‘মাইক্রোসফট ইগনাইট’। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পেশাদার প্রযুক্তিবিদরা এই সম্মেলনে অংশ নিয়ে থাকেন।
Share:

মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

এবার আপনার কম্পিউটারের যেকোনো ফাইল/ফোল্ডার হাইড/লক করে ফেলুন কোনো রকমের সফটওয়্যারের সাহায্য ছাড়াই !!!

অনেকেই সফটওয়্যার ব্যবহার করেন লক করে রাখার জন্য আবার অনেকেই হাইড করে রাখেন।
cam-lok-hd
মাঝে মাঝে সফটওয়্যার কাজ করেনা তার জন্য আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো বা ফোল্ডারগুলো অন্যের নজরে চলে আসে এবং আপনার অনেক মূল্যবান


আপনারা কম-বেশী সবাই কম্পিউটার ব্যবহার করেন কিন্তু কম্পিউটারের মধ্যে আপনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল বা ফোল্ডার থাকে যেগুলো আপনি সবার আড়ালে রাখতে চান।
ফাইল বা ফোল্ডার আপনার ছোট কোন ভাই ডিলিট করে ফেলে। তার জন্য আপনার অনেক ক্ষতি হয়ে যায়।
আজ আপনাদের কাছে তুলে ধরব কীভাবে সফটওয়্যার ছাড়া আপনার মূল্যবান ফাইল বা ফোল্ডার সিকিউরিটি দিয়ে রাখবেন যাতে কেউ না দেখতে পারে এবং ডিলিট করতে না পারে।
তাহলে মূল কথায় আসা যাক-
আপনি যে ফাইল বা ফোল্ডার সিকিউরিটি দিবেন তার মধ্যে যান।
সেখানে গিয়ে ফোল্ডারের উপর মাউসের রাইট বাঁটন ক্লিক করুণ।
তারপর properties এর মধ্যে যান।
নতুন যে উইন্ডো আসবে তারমধ্যে security অপশন আছে সেখানে যান।
আবার যে নতুন উইন্ডো আসবে সেখানে advanced অপশন পাবেন সেখানে যান।
আর একটি নতুন উইন্ডো আসবে সেখানে গিয়ে change permissions এর মধ্যে যান।
নতুন করে আবার আর একটি উইন্ডো আসবে সেখানে গিয়ে edit এর মধ্যে ক্লিক করুণ।
সেখানে দেখতে পাবেন permission নামে একটা টেবিলের মত দেয়া আছে সেখানে দেখতে পাবেন allow এবং deny লিখা। এর মধ্যে deny এর মধ্যে ক্লিক করলে সব সিলেক্ট হয়ে যাবে।
deny এর মধ্যে ক্লিক করুণ। এখন আপনার কাজ হচ্ছে এখন ok ok yes ok ok দিয়ে বের হয়ে আসা।
এখন আপনি দেখতে পাবেন আপনার যে ফোল্ডারের মধ্যে সিকিউরিটি দিয়েছেন তা আর খুলছে না।
তাহলে আপনার কাজ সম্পন্ন হল।
এখন প্রশ্ন থাকতে পারে সিকিউরিটি দিলাম কিন্তু কীভাবে আবার খুলবো। সহজ কাজ। তার জন্য আপনাকে বেশি কিছু করতে হবে না।
আগের মত করে ফোল্ডারের মধ্যে মাউসের রাইট বাঁটন ক্লিক করবেন।
properties এর মধ্যে যাবেন। তারপর security, তারপর advanced এর মধ্যে যাবেন।
নতুন যে উইন্ডো আসবে সেখানে গিয়ে change permissions এর মধ্যে ক্লিক করলে আপনার যে নতুন উইন্ডো আসবে এর মধ্যে Remove অপশন পাবেন।
Remove এর মধ্যে ক্লিক করে ok ok ok দিয়ে বের হয়ে আসলে আপনার ফোল্ডার বা ফাইল আগের মত হয়ে যাবে।
তো সবাই ভালো থাকুন সুস্থ্য থাকুন এই কামনায় শেষ করলাম। আল্লাহ হাফেজ!!!
Share:

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু কাজ

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু বিষয় অনেক সময় বেশ কাজে দেয়। এমন কিছু সাধারণ কৌশল দেওয়া হলো, যা প্রয়োগ করলে কম্পিউটারের খুঁটিনাটি সমস্যা দূর হবে।
কম্পিউটার চালু না হলে
কখনো কম্পিউটার চালু না হলে সেফ মুড থেকে বুট করা যায়। এ জন্য কম্পিউটার চালু করার বোতাম চেপে কি-বোর্ড থেকে F8 চাপুন। তালিকা থেকে Last Known Good Configuration নির্বাচন করে আগে ভালো থাকা উইন্ডোজকে ফিরিয়ে আনা যাবে। কম্পিউটার চালু হতে সমস্যা হলে Windows Startup Repair চেপে তা ঠিক করা যায়। এটি স্টার্টআপ (চালু হওয়া) সমস্যা দূর করে কম্পিউটারকে আবার চালু (বুট) করে।
সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্টকম্পিউটার চালাতে গিয়ে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে, ভালো থাকা অবস্থায় সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট তৈরি করে রাখলে প্রয়োজনে তা কাজে লাগানো যাবে। এ জন্য Start Menu থেকে Accessories-এ যান। System Tools থেকে System Restore-এ ক্লিক করে খুলুন। অথবা উইন্ডোজ সাত বা আটের স্টার্ট মেনুতে rstrui. exe লিখে এন্টার চাপুন। সিস্টেম রিস্টোর খুলে গেলে Next চেপে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। পরের ধাপে Finish চাপলে নতুন সিস্টেম পয়েন্ট তৈরি হবে। ভবিষ্যতে উইন্ডোজের যেকোনো সমস্যায় তৈরি থাকা সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট থেকে উইন্ডোজকে ফিরিয়ে আনা যাবে।
সিস্টেম ফাইল চেকার
কম্পিউটারের সিস্টেমগত কোনো সমস্যা তৈরি হলে সিস্টেম ফাইল চেকার ব্যবহার করে সমস্যার সমাধান করা যায়। সাধারণত কম্পিউটারের কোনো ফাইল প্রতিস্থাপিত (রিপ্লেস) হলে বা ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা নষ্ট হলে ভালো ফাইল দিয়ে সিস্টেম ফাইল চেকার সেটি দূর করে। এ জন্য স্টার্ট মেনুতে গিয়ে cmd লিখুন। Command Prompt এলে তাতে মাউসের রাইট ক্লিক করে Run as administrator চেপে খুলুন। এবার কমান্ড প্রম্পটে sfc/scannow লিখে এন্টার চাপুন। কিছুক্ষণ সময় নিয়ে রিপোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারে কোনো সমস্যা বা ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা নষ্ট ফাইল থাকলে ঠিক করে তা জানিয়ে দেবে।
অনাকাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যার মুছুন
কম্পিউটারের কন্ট্রোল প্যানেল চালু করে ইনস্টল থাকা প্রোগ্রামগুলো চেক করে নিন। যদি অনাকাঙ্ক্ষিত বা অব্যবহৃত সফটওয়্যার থাকে তাহলে সেটি মুছে ফেলাই উত্তম।
Share:

বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

কম্পিউটার চালু না হওয়ার কারন ও তার সমাধান এখনই জেনে নিন !!!


কম্পিউটারের খুবই কমন একটি সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে। আশা করি আজকের টিপসগুলো আপনাদের কাজে লাগবে।
কম্পিউটার চালু না হওয়াটা আমাদের সবার জন্যেই মোটামুটি দৈনন্দিন একটা সমস্যা।
বিশেষ করে নতুন ব্যাবহারকারীদের জন্যে এটি একটি কমন ব্যাপার এবং এই ক্ষেত্রে
তাদের একমাত্র সমাধান কোনো একটি দোকানে পিসিটি নিয়ে যাওয়া এবং কিছু
টাকা খরচ করা। কিন্তু এই ব্যাপারে আমাদের কিছুটা ধারণা থাকলেই কিন্তু আমরা এই
বাড়তি খরচটা বাঁচাতে পারি। তাহলে আসুন শুরু করি-

# যদি এমনটি হয় যে কম্পিউটার ঠিকমতো চালু হচ্ছে, অপারেটিং সিস্টেমও লোড হচ্ছে কিন্তু তারপর হঠাৎ করে পিসি বন্ধ হয়ে রিস্টার্ট করছে। তাহলে এটি সম্ভবত প্রসেসরের কুলিং ফ্যান বা হিটসিংক ও প্রসেসরের কানেকশনের দুর্বলতার কারণে হচ্ছে। চেক করে দেখুন ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কি-না বা ফ্যানসহ সবকিছু ঠিকমতো টাইট আছে কিনা। আর হঠাৎ করে বন্ধ না হলে মানে একটু সময় নিয়ে সংকেত দিয়ে বন্ধ হওয়া মানে ভাইরাসের আক্রমণের শিকার আপনি।


# পিসির পাওয়ার সুইচ অন করার পর সিস্টেমের ইন্টারনাল স্পিকার কয়টা আওয়াজ করলো খেয়াল করুন।
যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের
সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।

# যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড। র্যাম পরিবর্তন বা স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
# যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।

# আর যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না। তবে উপরোক্ত কাজের জন্যে পিসিতে ইন্টারনাল স্পীকার থাকতে হবে। অনেক
মাদারবোর্ডে ইন্টারনাল স্পীকার বিল্ট-ইন থাকে। অন্যগুলাতে আলাদা লাগাবে হয়।

# এবার মনিটরের দিকে লক্ষ করুন, এটি কি স্লীপ মোডে আছে? যদি তা না হয় অর্থাৎ মনিটরের লেড লাইট জ্বলে থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে বুঝতে হবে আপনার মনিটর, মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে। সমস্যাটা অন্য কোথাও।

# যদি কোনোভাবেই পিসিতে পাওয়ার ন পায় তাহলে কেসিং খুলে পাওয়ার সাপ্লাইটি চেক করুন, সমস্যাটি কোথায় তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন।
# দেখা গেলো যে মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি চালু হচ্ছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
# এর পরেও যদি পিসিটি চালু না হয় তবে অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে
মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা।
# পাওয়ার সংক্রান্ত সম্ভাব্য সবগুলো সমস্যা নিয়েই আলোচনা করা হলো। কিন্তু এখনও যদি কম্পিউটার চালু না হয় তাহলে বুঝতে হবে সমস্যা র্যামের। র্যামের স্লট পরিবর্তন করে দেখুন বা অন্য র্যাম লাগিয়ে দেখুন।
# কম্পিউটার চালু হল কিন্তু উইন্ডোজ লোডিং-এর আগেই আটকে যাচ্ছে? তাহলে সমস্যা আপনার হার্ডডিস্কে। হার্ডডিস্কের
পাওয়ার ও ডাটা ক্যাবলের কানেকশন চেক করুন। সম্ভব হবে মাদারবোর্ডের যে কানেক্টরে ক্যাবলটি লাগানো তা পরিবর্তন
করে দেখুন।

# এছাড়াও কোনো না কোনো ক্যাবল লুজ বা নষ্ট হয়ে যাবার কারণেও কম্পিউটার চালু হওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই ব্যাপারটিও খেয়াল রাখবেন।

প্রধান এই সমস্যাগুলোর কারণেই কম্পিউটার
চালু হয় না। আশা করি পোস্টটি আপনাদের
সবার কাজে আসবে। পোস্টটি পড়ার জন্যে
  আপনাকে ধন্যবাদ।
Share:

বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

একটি ভালো মানের মাদারবোর্ড কেনার আগে আপনার করনীয় বিষয়গুলো জেনে নিন।


 কম্পিউটরের সব থেকে গুরুত্বপূর্ন হার্ডওয়্যার হল মাদারবোর্ড। কম্পিউটরে ব্যবহৃত সবরকম যন্ত্রই এই বোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে।
ইনটেল চিপসেট ব্যবহার করে মাদারবোর্ড তৈরী করে, এমন অনেক কোম্পানি আছে, কিন্তু তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য যেমন আসুস, গিগাবাইট, এম.এস.আই, ইত্যাদি, তবে ইন্টেল নিজেও মাদারবোর্ড তৈরী করে। এগুলি যেকোন একটি ব্যবহার করে আপনি একটি ভালো মানের কম্পিউটর তৈরী করতে পারবেন।

বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানির তৈরী ভালো মানের মাদারবোর্ড বাজারে পাওয়া গেলেও , যাদের সার্ভিস ভালো সে সব কোম্পানির বোর্ড-ই কেনা ভাল। একটি ভালো মানের মাদারবোর্ড কিনতে আপনি যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন।
নিচে অনেক গুলো টিপস দেওয়া হলঃ-
১. প্রথম যে বিষয় টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হল আপনি কি প্রসেসর ব্যাবহার করেন, তার উপর নির্ভর করবে আপনি কোন মাদারবোর্ড কিনবেন।
২. এরপর যা লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল, মাদারবোর্ডটিতে কি ধরনের মেমোরির ব্যবহারের সুবিধা আছে (ডি.ডি.আর-২, ডি.ডি.আর-৩, ইত্যাদি ) এবং যে পরিমান মেমরি আপনি চাইছেন তা এই মাদারবোর্ডটিতে ব্যাবহার করা যাবে কিনা।
৩. প্রসেসর ও মাদারবোর্ডের বাস স্পিড কত এবং এগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কিনা তা দেখে নিবেন। স্পিড বেশি হলে কাজের ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করবেন।
৪. মাদারবোর্ডে কতগুলো ইউ.এস.বি পোর্ট আছে তা দেখে নিন। যত বেশি পোর্ট থাকবে তত বেশি ইউ.এস.বি ডিভাইস ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এখনকার বেশীরভাগ মাদারবোর্ডে ইউ.এস.বি-৩ পোর্ট ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
৫. মাদারবোর্ডে হার্ডডিস্ক লাগানোর জন্য কয়টি SATA পোর্ট আছে তা দেখে নিন। বেশি পোর্ট থাকলে সেটি অবশ্যই ভাল। ৬. আপনি যদি ভিডিও এডিটিং বা ক্যাপচারিং জাতীয় কাজ করতে চান তাহলে মাদারবোর্ডে পি.সি.আই স্লট আছে কিনা খেয়াল রাখতে হবে। মাদারবোর্ডে কি কি ধরনের স্লট এবং কয়টি করে আছে তাও দেখে নিন।
৭. আপনার যদি সি.পি.ইউ -এর ওভারক্লকিং এর প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন, তবে খেয়াল রাখবেন মাদারবোর্ডটিতে সি.পি.ইউ ওভারক্লকিং এর সুবিধা আছে কিনা।
computer_motherboard_annotated_600 কমপিউটিরে সবথেকে গুরুত্বপূর্ন হার্ডওয়্যার হল, কমপিউটার মাদারবোর্ড। কমপিউটিরে ব্যবহৃত সবরকম যন্ত্রই এই বোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে। ইনটেল চিপসেট ব্যবহার করে মাদারবোর্ড তৈরী করে, এমন অনেক কোম্পানি আছে, কিন্তু তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য যেমন আসুস, গিগাবাইট, এম.এস.আই, ইত্যাদি, তবে ইন্টেল নিজেও মাদারবোর্ড তৈরী করে। এগুলি যেকোন একটি ব্যবহার করে আপনি একটি ভালো মানের কমপিউটার তৈরী করতে পারবেন। বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানির তৈরী ভালো মানের মাদারবোর্ড বাজারে পাওয়া গেলেও , যাদের সার্ভিস ভালো সে সব কোম্পানির বোর্ড-ই কেনা ভাল। একটি ভালো মানের মাদারবোর্ড কিনতে আপনি যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন। ১. প্রথম যে বিষয় টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হল আপনি কি প্রসেসর ব্যাবহার করেন, তার উপর নির্ভর করবে আপনি কোন মাদারবোর্ড কিনবেন। ২. এরপর যা লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল, মাদারবোর্ডটিতে কি ধরনের মেমোরির ব্যবহারের সুবিধা আছে (ডি.ডি.আর-২, ডি.ডি.আর-৩, ইত্যাদি ) এবং যে পরিমান মেমরি আপনি চাইছেন তা এই মাদারবোর্ডটিতে ব্যাবহার করা যাবে কিনা। ৩. প্রসেসর ও মাদারবোর্ডের বাস স্পিড কত এবং এগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কিনা তা দেখে নিবেন। স্পিড বেশি হলে কাজের ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করবেন। ৪. মাদারবোর্ডে কতগুলো ইউ.এস.বি পোর্ট আছে তা দেখে নিন। যত বেশি পোর্ট থাকবে তত বেশি ইউ.এস.বি ডিভাইস ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এখনকার বেশীরভাগ মাদারবোর্ডে ইউ.এস.বি-৩ পোর্ট ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৫. মাদারবোর্ডে হার্ডডিস্ক লাগানোর জন্য কয়টি SATA পোর্ট আছে তা দেখে নিন। বেশি পোর্ট থাকলে সেটি অবশ্যই ভাল। ৬. আপনি যদি ভিডিও এডিটিং বা ক্যাপচারিং জাতীয় কাজ করতে চান তাহলে মাদারবোর্ডে পি.সি.আই স্লট আছে কিনা খেয়াল রাখতে হবে। মাদারবোর্ডে কি কি ধরনের স্লট এবং কয়টি করে আছে তাও দেখে নিন। ৭. আপনার যদি সি.পি.ইউ -এর ওভারক্লকিং এর প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন, তবে খেয়াল রাখবেন মাদারবোর্ডটিতে সি.পি.ইউ ওভারক্লকিং এর সুবিধা আছে কিনা।

বিস্তারিত পড়ুন: http://newpostbd.com/buy-new-motherboard-so-read-the-instruction/
কপিরাইট © নিউপোষ্টবিডি.কমcomputer_motherboard_annotated_600 কমপিউটিরে সবথেকে গুরুত্বপূর্ন হার্ডওয়্যার হল, কমপিউটার মাদারবোর্ড। কমপিউটিরে ব্যবহৃত সবরকম যন্ত্রই এই বোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে। ইনটেল চিপসেট ব্যবহার করে মাদারবোর্ড তৈরী করে, এমন অনেক কোম্পানি আছে, কিন্তু তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য যেমন আসুস, গিগাবাইট, এম.এস.আই, ইত্যাদি, তবে ইন্টেল নিজেও মাদারবোর্ড তৈরী করে। এগুলি যেকোন একটি ব্যবহার করে আপনি একটি ভালো মানের কমপিউটার তৈরী করতে পারবেন। বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানির তৈরী ভালো মানের মাদারবোর্ড বাজারে পাওয়া গেলেও , যাদের সার্ভিস ভালো সে সব কোম্পানির বোর্ড-ই কেনা ভাল। একটি ভালো মানের মাদারবোর্ড কিনতে আপনি যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন। ১. প্রথম যে বিষয় টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হল আপনি কি প্রসেসর ব্যাবহার করেন, তার উপর নির্ভর করবে আপনি কোন মাদারবোর্ড কিনবেন। ২. এরপর যা লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল, মাদারবোর্ডটিতে কি ধরনের মেমোরির ব্যবহারের সুবিধা আছে (ডি.ডি.আর-২, ডি.ডি.আর-৩, ইত্যাদি ) এবং যে পরিমান মেমরি আপনি চাইছেন তা এই মাদারবোর্ডটিতে ব্যাবহার করা যাবে কিনা। ৩. প্রসেসর ও মাদারবোর্ডের বাস স্পিড কত এবং এগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কিনা তা দেখে নিবেন। স্পিড বেশি হলে কাজের ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করবেন। ৪. মাদারবোর্ডে কতগুলো ইউ.এস.বি পোর্ট আছে তা দেখে নিন। যত বেশি পোর্ট থাকবে তত বেশি ইউ.এস.বি ডিভাইস ব্যবহারের সুযোগ পাবেন। এখনকার বেশীরভাগ মাদারবোর্ডে ইউ.এস.বি-৩ পোর্ট ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ৫. মাদারবোর্ডে হার্ডডিস্ক লাগানোর জন্য কয়টি SATA পোর্ট আছে তা দেখে নিন। বেশি পোর্ট থাকলে সেটি অবশ্যই ভাল। ৬. আপনি যদি ভিডিও এডিটিং বা ক্যাপচারিং জাতীয় কাজ করতে চান তাহলে মাদারবোর্ডে পি.সি.আই স্লট আছে কিনা খেয়াল রাখতে হবে। মাদারবোর্ডে কি কি ধরনের স্লট এবং কয়টি করে আছে তাও দেখে নিন। ৭. আপনার যদি সি.পি.ইউ -এর ওভারক্লকিং এর প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন, তবে খেয়াল রাখবেন মাদারবোর্ডটিতে সি.পি.ইউ ওভারক্লকিং এর সুবিধা আছে কিনা।
Share:

নতুন ল্যাপটপ ল্যাপটপ কেনার আগে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা উচিত।!!!


প্রযুক্তির এই সময়ে অনেক রকমের ডিভাইসের মাঝে অন্যতম একটি খুবই প্রয়োজনীয় ডিভাইস হচ্ছে ‘ল্যাপটপ’। প্রয়োজনের তাগিদে প্রযুক্তি পন্যগুলো আস্তে আস্তে যেন ছোট হয়ে আসছে। চিপ, মাইক্রো চিপ, ন্যানো চিপ – যেন চলছে প্রযুক্তিকে সাধারন দৃষ্টি সীমার বাইরে নেবার।
এরকম চেষ্টা চলছিল বলেই হয়ত আজকে আমি আমার ল্যাপটপটি দিয়ে লিখে যেতে পারছি। এটি একটি স্যাম্বল ফটো মাত্র এসপ্তাহেই আমি দু’টি ল্যাপটপ কিনেছি। না, কোনটিই আমার জন্যে নয়।
আমার ভূমিকা সীমাবদ্ধ ছিল ‘সাজেশন দাতা’ হিসেবেই। এই দুটি ল্যাপটপ কেনার পর বা সঠিক ভাবে বললে সাজেস্ট করার পর মনে হল যে এই প্রসঙ্গে একটি সচেতনতা মূলক ব্লগ পোষ্ট লিখলে সবার না হোক, অন্তত দু’এক জনের উপকারেতো আসবেই। সবাইতো আর টেক গিক নয়, অবশ্য ল্যাপটপ কেনার ব্যাপারে টেক গিক হবার প্রয়োজনও কই? যাই হোক, এজন্যেই আজকের এই ব্লগ পোষ্টটি লিখতে বসা। চলুন, দেখা যাক আপনাদের উপকারে আসতে পারি কি না।
আকারে তুলনামূলক ভাবে ছোট, ওজনে কম এবং সহজে বহনশীল – এভাবেই হয়ত ল্যাপটপকে করা যায় সংজ্ঞায়িত। বেশির ভাগ মানুষেরই তাদের কম্পিউটারের হাতেখড়ি শুরু হয়ে থাকে ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকে এবং পরবর্তী সময়ে সময় এবং প্রয়োজনের তাগিদে তারা ল্যাপটপ কিনে থাকেন। ডেস্কটপ কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে যারা কিছুটা হলেও জানেন তাদের জন্য আসলে ল্যাপটপ কেনাটা খুব সহজই হয়ে যায়, কেননা মূল দিক গুলোতে থাকেনা কোন প্রকারের পার্থক্য।
তবে অনেক ডেস্কটপ ব্যবহারকারী রয়েছেন যাদের কম্পিউটারের জ্ঞান অনেকটাই মাইক্রোসফট অফিস এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হয় ল্যাপটপ কিনতে গেলে কেননা তারা কষ্ট বা অনেক সময় সনাতন ভয়ের কারনে মাইক্রোসফট অফিসের গন্ডি থেকে না বেরিয়ে কখনোই হার্ডওয়্যার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেননি।
যাই হোক, আপনি যদি এমন হয়ে থাকেন তবে আপনি আশা করছি সঠিক পোষ্টটিই পড়ছেন। পড়তে থাকুন, কাজে লাগবেই। এখন আর কথা না বাড়িয়ে আমি শুরু করছি যে ঠিক কোন কোন বিষয়গুলো একটি ল্যাপটপ কেনার আগে মাথায় রাখা উচিৎ
প্রয়োজন এবং সাধ্যঃ আপনাকে প্রথমে আপনার নিজের প্রয়োজনটাকে এবং আপনার সাধ্যের সমন্বয় ঘটাতে হবে। আপনার সাধ্য এবং প্রয়োজনের মাত্রার উপরেই আসলে নির্ভর করে আপনার কোন ধরনের কনফিগারেশনের ল্যাপটপ প্রয়োজন।
বাজারেতো অনেক ধরনেরই ল্যাপটপ পাওয়া যায়। বিভিন্ন রকমের কনফিগারেশনের সেই ল্যাপটপগুলোর দামও হয় ভিন্ন ভিন্ন, তাই আপনার চাহিদা বুঝেই প্রথম সিদ্ধান্তে আসা উচিৎ আপনার।
সেক্ষেত্রে, আপনি যদি বাড়িতে বসেই হাই গ্রাফিক্সের কাজ করতে চান তার জন্য আপনার ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে এলিয়েনওয়্যার কেনারতো কোন প্রয়োজন নেই। কেননা, ঐ দামে আপনি ডেস্কটপ কম্পিউটার কনফিগার করলে এরচেয়েও ভালো পারফর্মেন্স পাবেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। ধরছি, আপনার ল্যাপটপই লাগবে। আপনি সেই ল্যাপটপটি দিয়ে কি করতে চান? গান অথবা মুভি দেখবেন? মাইক্রোসফট অফিসে ভার্সিটির অ্যাসাইনমেন্ট প্রস্তুত করবেন নাকি অফিসের কাজ? হালকা-পাতলা গেম খেলবেন? – এই সবগুলো কাজই যদি হয়ে থাকে আপনার মূল বা স্বাভাবিক কাজ তবে এর জন্য খুব ভালো কনফিগারেশনের একটি ল্যাপটপ দরকার নেই।
 সেলেরন প্রসেসর বা ডুয়াল কোর প্রসেসরের একটি ল্যাপটপই আপনার এই চাহিদা গুলো পূরন করে দেবে খুব সহজেই। হয়তোবা সেলেরন আর ডুয়াল প্রসেসর আপনাকে ‘উচ্চ মানে গেম’ খেলতে সাহায্য করবেন না তবে আগেই আমি উল্লেখ করেছি ‘হালকা-পাতলা গেম’-এর কথা। আপনি যদি কিছুটা অ্যাডভান্স লেভেলের কাজ ল্যাপটপ দিয়ে করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে আপনার ল্যাপটপের বাজেট বাড়াতে হবে। ধরুন, আপনি ভিডিও এডিট করতে চাচ্ছেন মোটামুটি প্রফেশনালি, তবে আপনার ল্যাপটপের র্যা ম বেশি হতে হবে।
সাথে প্রসেসরটিও হতে হবে কিছুটা উন্নত মানের, লাগবে ভালো মানের গ্রাফিক্স সাপোর্ট। আর আপনি যদি ভালো ভালো গেম খেলতে চান হাই-পারফরমেন্সে তবেতো কথাই নেই, আপনাকে সোজাসুজি চলে যেতে হবে গেমিং সিরিজের ল্যাপটপের লাইনে। আবার আপনি স্লিম ল্যাপটপ চান কিনা – এটাও এযুগে ভেবে দেখবার মত একটি বিষয়। আসলে ‘প্রয়োজন বুঝে’ কেনাটাই ল্যাপটপ কেনার আগে খেয়াল করার মত বিষয়গুলোর সবচাইতে বড় একটি দিক। এখন আমি ভেঙ্গে ভেঙ্গে ল্যাপটপের হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট গুলো কি রকম বেছে নেয়া উচিৎ বলতে চেষ্টা করবো, কারও দ্বিমত থাকতেই পারে আমার মতামতের সাথে; সেক্ষেত্রে, আমি দুঃখিত।
প্রোসেসরঃ ডেস্কটপ কম্পিউটারের কথা বলি আর ল্যাপটপ, ‘প্রোসেসর’ হচ্ছে এই দুটি ডিভাইসেরই মূল অংশ। ‘প্রসেসর’, যার কাজ সহজে বললে বলতে হয় ‘প্রোসেস করা’। আপনার কম্পিউটারটির মাঝে প্রতিটি সেকন্ডে আপনার এবং মেশিনের, দুজনের ইন্সট্রাকশনই প্রসেস করে থাকে। এখন প্রসেসরের শক্তির রকম ভেদ করা হয় প্রতিসেকেন্ডে বা একটি একক সময়ে এর প্রসেস করার ক্ষমতার উপর।
বর্তমান সময়ে এ.এম.ডি এবং ইন্টেলের প্রসেসরের ল্যাপটপ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। তবে ব্র্যান্ডের দৌড়ে এখন পর্যন্ত ‘ইন্টেলের’ প্রসেসর বিশিষ্ট ল্যাপটপই বাজারে বেশি দেখা যায়। ল্যাপটপ কেনার আগে প্রসেসরের ‘জেনারেশন’ এবং এর ‘ক্লক-স্পিড’ খেয়াল করে কেনা উচিৎ।
‘জেনারেশন’ বা ‘প্রজন্ম’ থেকেই মোটামুটি বেসিক তথ্য আন্দাজ করে নেয়া সম্ভব। যেমন, ৩য় প্রজন্মের প্রসেসর একটি ল্যাপটপ নিশ্চয়ই একই সিরিজের ৪র্থ প্রজন্মের প্রসেসরের কার্যক্ষমতাকে হারাতে পারবেনা।
 উল্লেখ্য, সর্বশেষ বাজারে আসা সর্বশেষ জেনারেশেনের প্রসেসর বিশিষ্ট ল্যাপটপ গুলো কিছুটা দামী হয়ে থাকে, সেই সাথে এদের কার্যক্ষমতাও। ডেস্কটপের মত ল্যাপটপে প্রসেসর আপগ্রেড করা যায়না।
 যদিও, আপনি আপনার একই সিরিজের একই মডেলের মাদারবোর্ড এর সকেট সমর্থিত প্রসেসর আপগ্রেড করতে পারেন তবে এটা খুবই ঝামেলার একটি প্রোসেস এবং অভিজ্ঞ ব্যাক্তির সহায়তা ছাড়া একাজটি একদমই করা উচিৎ হবেনা। তাই, চেষ্টা করা উচিৎ ল্যাপটপ কেনার সময়েই ভালো মানের প্রসেসর যুক্ত একটি ল্যাপটপ কেনা।
র‍্যামঃ আপনার ল্যাপটপের র‍্যামের মেমরী যত বেশি হবে আপনার ল্যাপটপটি তত দ্রুত লাগবে আপনার কাছেই। স্বাভাবিক ভাবে ২ গিগাবাইট এবং ৪ গিগাবাইট র‍্যাম মেমরী বিশিষ্ট ল্যাপটপ বাজারে বেশি বিক্রি হয়ে থাকে তবে এটি সহজেই আপনি পরবর্তী সময়ে যোগ করতে পারবেন। এছাড়াও মেমরী টাইপ এবং এর বাস স্পিড এর দিকে খেয়াল রাখবেন। বর্তমান বাজারে DDR3 মানের মেমরী টাইপের ল্যাপটপ ছাড়া আপাতত চোখে পড়েনি আমার। আপনি যত মেমরী বিশিষ্ট ল্যাপটপই কিনতে চান খেয়াল রাখবেন ল্যাপটপটি সর্বোচ্চ কত পরিমানের র‍্যাম সাপোর্ট করে থাকে যেন পরবর্তীসময়ে ইচ্ছেমত আপনি র‍্যাম লাগিয়ে নিতে পারেন।
 জি.পি.ইউঃ ‘গ্রাফিক্স প্রোসেসিং ইউনিট’ একটি গুরুত্ব পূর্ন কম্পোনেন্ট। সাধারন ভাবে ল্যাপটপের মূল চিপে বিল্ট ইন গ্রাফিক্স হিসেবে ইন্টেল এইচডি ৩০০০/৪০০০ দেয়াই থাকে তবে ল্যাপটপের ক্ষেত্রে আপনি গ্রাফিক্স ছাড়া একটি ল্যাপটপ কেনার পর পরবর্তী সময়ে আপাতত আপনি গ্রাফিক্স কার্ড যোগ করতে পারবেন না। তাই, চেষ্টা করুন ‘গ্রাফিক্স কার্ড’ সম্বলিত একটি ল্যাপটপ কেনার।
 বর্তমান বাজারে ১ গিগাবাইট ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড বিশিষ্ট ল্যাপটপ ৩৮-৪০ হাজার টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছে।
 ডিসপ্লে / মনিটরঃ এটিও আসলে আপনার চাহিদার সাথেই সম্পর্কিত। কাজ করা জন্য স্বাভাবিক ভাবে ১৪” স্ক্রিনের ল্যাপটপ গুলো বেশি জনপ্রিয়। তবে, আপনি আপনার কাজের ধারা অনুযায়ী মনিটর কিনতে চেষ্টা করুন। বর্তমান বাজারে মনিটর এর মাপ যাই হোক না কেন এলসিডি মনিটরগুলোই জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছে। অবশ্য আমার এই জরিপ ব্যাক্তিগত এবং টাকা এই জরিপে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করেছে। তবে চোখের জন্য ‘এলইডি’ মনিটরই ভালো হবে। হার্ড ডিস্কঃ সাধারণত ২৫০ গিগাবাইট, ৩২০ গিগাবাইট, ৫০০ গিগাবাইট, ৭৫০ গিগাবাইট এবং ১ টেরাবাইটযুক্ত ল্যাপটপ গুলোই বাজারে বেশি পাওয়া যায়। তবে, আপনি ইচ্ছে করলেই আপনার হার্ড ডিস্ক আপগ্রেড করতে পারবেন, সেক্ষেত্রে প্রথমেই খুব বেশি চিন্তা করার দরকার নেই। তবে হার্ডিডিস্কের আরপিএম চেক করে ল্যাপটপ কিনতে ভুলবেন না। ব্যাটারীঃ ল্যাপটপ কেনার সময় এর ব্যাটারী ব্যাক আপ সম্পর্কে অবগত হন। ল্যাপটপ যখন খুশি যেখানে ইচ্ছা আপনি ব্যবহার করতে পারছেন সেটাতো এই ল্যাপটপের কারনেই। বাজারে ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে ৪ সেল এবং ৬ সেলের ব্যাটারী পাওয়া যায়।
অন্যান্যঃ আরও কিছু ছোট ছোট বিষয় মাথায় রাখা উচিৎ ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে। যেমন, ল্যাপটপের ওজন। একটু বাজার ঘুরলেই আপনি বিভিন্ন ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানির তৈরী আল্ট্রা স্লিম ল্যাপটপ দেখতে পারবেন যেগুলো খুবই আকর্ষনিয়। আল্ট্রা বুকের ক্ষেত্রে অবশ্য দাম কিছুটা হলেও বেশি পরবে তবে এতে করে আপনার ল্যাপটপটি দেখতে আকর্ষনিয় হবে এবং এর ওজনও হবে কম। যারা ল্যাপটপ ব্যাক প্যাকে নিয়ে চলাফেরা করি তারা ভালো করেই জানেন যে একটি ভারী ল্যাপটপ বহন করা কতটা ঝামেলার।
ওয়েবক্যামঃ ল্যাপটপের সাথে একটি ওয়েব ক্যামেরা দেয়া থাকে যাতে করে আপনি ভিডিও কল, ভিডিও চ্যাট অথবা ভিডিও কনফারেন্সের মত জরুরী কাজের পাশাপাশি টুক টাক সেলফিও মাঝে মাঝে তুলতে পারেন। এক্ষেত্রে বর্তমানের ল্যাপটপ গুলোতে ২ মেগাপিক্সেলের ওয়েব ক্যামেরা যুক্ত থাকে এবং ল্যাপটপ ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানিগুলো এগুলোকে এইচডি বলেও দাবি করেন। তাই, ক্যামেরা কেনার সময় লক্ষ্য রাখবেন ওয়েব ক্যামেরার মানের উপর। সাউন্ডঃ আপনি যদি গান পাগল হয়ে থাকেন অথবা ল্যাপটপ দিয়ে মুভি দেখার কাজটা ভালো ভাবেই চালিয়ে নিতে চান তবে পারলে ল্যাপটপের সাউন্ডের ব্যাপারের সচেতন হন। দামি ল্যাপটপ গুলোতে স্পিকারের পাশাপাশি উফারও দেয়া থাকে এবং সেক্ষেত্রে মোটামুটি ভালো মানের সাউন্ড পাওয়া যায়। তবে উফার ছাড়া ল্যাপটপ গুলোর সাউন্ডের মান ঠিক ততোটা ভালো হয়না। আমি ডেল এবং এইচপি’র তিনটি ল্যাপটপ পরীক্ষা করে দেখেছি। তিনটির একটিরও সাউন্ড কোয়ালিটি আমার ভালো লাগেনি। অবশ্য, ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ছোট স্পিকার ব্যবহার করতে হয় বলে হয়তো এর সাউন্ড কোয়ালিটি ততটা আশানুরুপ হয়না, এই ব্যাপারটিতে আমি নিশ্চিত নই।
ইউ.এস.বি পোর্টঃ বর্তমানে বাজারে যে সকল ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর সবগুলো পোর্ট অথবা দু’টি পোর্ট সাধারনত ইউ.এস.বি ৩ পোর্টের হয়ে থাকে। ইউ.এস.বি ৩ পোর্টের সাহায্যে আপনি কিছুটা দ্রুত ডাটা ট্রানসফার করতে পারবেন। বডিঃ বিভিন্ন রকমের বডির প্রকারভেদে ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে এখন। মেটাল ফিনিশ, প্লাস্টিক, ম্যাট – এর মাঝে আমার ম্যাট ফিনিশিং এর ল্যাপটপই বেশি পছন্দ। তবে, আপনার পছন্দ নিশ্চয়ই আমার পছন্দ থেকে আলাদা হতেই পারে। মূলত এই ব্যাপারগুলোর উপর লক্ষ্য রেখেই ল্যাপটপ কিনতে হয়। আপনি বাজারে জনপ্রিয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ কিনতে পারেন এবং কেনার সময় ওয়ারেন্টির কাগজ পত্র দেখে নিন। বাজারে বর্তমানে প্রায় সব ল্যাপটপের সাথেই ৩ বছরের ওয়ারেন্টি থেকে থাকে। ৩ বছরতো আর কম সময় নয়, আর ভালো ব্র্যান্ডের একটি দামি ল্যাপটপও যে নষ্ট হবেনা তা-ও নয়। তাই ভালো করে ওয়ারেন্টি’র কাগজ পত্র গুলো দেখে নিন। আর, ল্যাপটপের ড্রাইভার এর ব্যাক-আপ অথবা ডিস্ক বুঝে নিতেও ভুলবেন না। ল্যাপটপ কিনতে চাইলে আপনি আইডিবি ভবনের রায়ানস, কম্পিউটার সোর্স, রিশিত কম্পিউটার্স, ড্যাফোডিল কম্পিউটার – দোকানগুলো ঘুরে কিনতে পারেন। আইডিবি ভবনে আরও অনেক দোকানই আছে তবে উল্লেখিত দোকানগুলোতে মোটামুটি বেশি কালেকশন পাওয়া যাবে। আর এদের সার্ভিস সেন্টার গুলো দ্রুত এবং ভালো সেবা প্রদান করে থাকে। আর, এই দোকানগুলোর বেশির ভাগেরই ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে শাখা রয়েছে। ল্যাপটপ কেনার সময় পারলে অভিজ্ঞ কাউকে নিয়ে যাবেন। আপনি যদি ল্যাপটপের বিষয়ে দক্ষ না হয়ে থাকেন তবে এমন কাউকেও নেবেন না যে আপনাকে সাহায্য করতে পারবে না !


কপিরাইট © নিউপোষ্টবিডি.কম
প্রযুক্তির এই সময়ে অনেক রকমের ডিভাইসের মাঝে অন্যতম একটি খুবই প্রয়োজনীয় ডিভাইস হচ্ছে ‘ল্যাপটপ’। প্রয়োজনের তাগিদে প্রযুক্তি পন্যগুলো আস্তে আস্তে যেন ছোট হয়ে আসছে। চিপ, মাইক্রো চিপ, ন্যানো চিপ – যেন চলছে প্রযুক্তিকে সাধারন দৃষ্টি সীমার বাইরে নেবার। এরকম চেষ্টা চলছিল বলেই হয়ত আজকে আমি আমার ল্যাপটপটি দিয়ে লিখে যেতে পারছি। acer-aspire-e1-570-6803-15-6-inch-laptop এটি একটি স্যাম্বল ফটো মাত্র এসপ্তাহেই আমি দু’টি ল্যাপটপ কিনেছি। না, কোনটিই আমার জন্যে নয়। আমার ভূমিকা সীমাবদ্ধ ছিল ‘সাজেশন দাতা’ হিসেবেই। এই দুটি ল্যাপটপ কেনার পর বা সঠিক ভাবে বললে সাজেস্ট করার পর মনে হল যে এই প্রসঙ্গে একটি সচেতনতা মূলক ব্লগ পোষ্ট লিখলে সবার না হোক, অন্তত দু’এক জনের উপকারেতো আসবেই। সবাইতো আর টেক গিক নয়, অবশ্য ল্যাপটপ কেনার ব্যাপারে টেক গিক হবার প্রয়োজনও কই? যাই হোক, এজন্যেই আজকের এই ব্লগ পোষ্টটি লিখতে বসা। চলুন, দেখা যাক আপনাদের উপকারে আসতে পারি কি না। আকারে তুলনামূলক ভাবে ছোট, ওজনে কম এবং সহজে বহনশীল – এভাবেই হয়ত ল্যাপটপকে করা যায় সংজ্ঞায়িত। বেশির ভাগ মানুষেরই তাদের কম্পিউটারের হাতেখড়ি শুরু হয়ে থাকে ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকে এবং পরবর্তী সময়ে সময় এবং প্রয়োজনের তাগিদে তারা ল্যাপটপ কিনে থাকেন। ডেস্কটপ কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে যারা কিছুটা হলেও জানেন তাদের জন্য আসলে ল্যাপটপ কেনাটা খুব সহজই হয়ে যায়, কেননা মূল দিক গুলোতে থাকেনা কোন প্রকারের পার্থক্য। তবে অনেক ডেস্কটপ ব্যবহারকারী রয়েছেন যাদের কম্পিউটারের জ্ঞান অনেকটাই মাইক্রোসফট অফিস এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হয় ল্যাপটপ কিনতে গেলে কেননা তারা কষ্ট বা অনেক সময় সনাতন ভয়ের কারনে মাইক্রোসফট অফিসের গন্ডি থেকে না বেরিয়ে কখনোই হার্ডওয়্যার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেননি। যাই হোক, আপনি যদি এমন হয়ে থাকেন তবে আপনি আশা করছি সঠিক পোষ্টটিই পড়ছেন। পড়তে থাকুন, কাজে লাগবেই। এখন আর কথা না বাড়িয়ে আমি শুরু করছি যে ঠিক কোন কোন বিষয়গুলো একটি ল্যাপটপ কেনার আগে মাথায় রাখা উচিৎঃ প্রয়োজন এবং সাধ্যঃ আপনাকে প্রথমে আপনার নিজের প্রয়োজনটাকে এবং আপনার সাধ্যের সমন্বয় ঘটাতে হবে। আপনার সাধ্য এবং প্রয়োজনের মাত্রার উপরেই আসলে নির্ভর করে আপনার কোন ধরনের কনফিগারেশনের ল্যাপটপ প্রয়োজন। বাজারেতো অনেক ধরনেরই ল্যাপটপ পাওয়া যায়। বিভিন্ন রকমের কনফিগারেশনের সেই ল্যাপটপগুলোর দামও হয় ভিন্ন ভিন্ন, তাই আপনার চাহিদা বুঝেই প্রথম সিদ্ধান্তে আসা উচিৎ আপনার। সেক্ষেত্রে, আপনি যদি বাড়িতে বসেই হাই গ্রাফিক্সের কাজ করতে চান তার জন্য আপনার ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে এলিয়েনওয়্যার কেনারতো কোন প্রয়োজন নেই। কেননা, ঐ দামে আপনি ডেস্কটপ কম্পিউটার কনফিগার করলে এরচেয়েও ভালো পারফর্মেন্স পাবেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। ধরছি, আপনার ল্যাপটপই লাগবে। আপনি সেই ল্যাপটপটি দিয়ে কি করতে চান? গান অথবা মুভি দেখবেন? মাইক্রোসফট অফিসে ভার্সিটির অ্যাসাইনমেন্ট প্রস্তুত করবেন নাকি অফিসের কাজ? হালকা-পাতলা গেম খেলবেন? – এই সবগুলো কাজই যদি হয়ে থাকে আপনার মূল বা স্বাভাবিক কাজ তবে এর জন্য খুব ভালো কনফিগারেশনের একটি ল্যাপটপ দরকার নেই। সেলেরন প্রসেসর বা ডুয়াল কোর প্রসেসরের একটি ল্যাপটপই আপনার এই চাহিদা গুলো পূরন করে দেবে খুব সহজেই। হয়তোবা সেলেরন আর ডুয়াল প্রসেসর আপনাকে ‘উচ্চ মানে গেম’ খেলতে সাহায্য করবেন না তবে আগেই আমি উল্লেখ করেছি ‘হালকা-পাতলা গেম’-এর কথা। আপনি যদি কিছুটা অ্যাডভান্স লেভেলের কাজ ল্যাপটপ দিয়ে করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে আপনার ল্যাপটপের বাজেট বাড়াতে হবে। ধরুন, আপনি ভিডিও এডিট করতে চাচ্ছেন মোটামুটি প্রফেশনালি, তবে আপনার ল্যাপটপের র্যা ম বেশি হতে হবে। সাথে প্রসেসরটিও হতে হবে কিছুটা উন্নত মানের, লাগবে ভালো মানের গ্রাফিক্স সাপোর্ট। আর আপনি যদি ভালো ভালো গেম খেলতে চান হাই-পারফরমেন্সে তবেতো কথাই নেই, আপনাকে সোজাসুজি চলে যেতে হবে গেমিং সিরিজের ল্যাপটপের লাইনে। আবার আপনি স্লিম ল্যাপটপ চান কিনা – এটাও এযুগে ভেবে দেখবার মত একটি বিষয়। আসলে ‘প্রয়োজন বুঝে’ কেনাটাই ল্যাপটপ কেনার আগে খেয়াল করার মত বিষয়গুলোর সবচাইতে বড় একটি দিক। এখন আমি ভেঙ্গে ভেঙ্গে ল্যাপটপের হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট গুলো কি রকম বেছে নেয়া উচিৎ বলতে চেষ্টা করবো, কারও দ্বিমত থাকতেই পারে আমার মতামতের সাথে; সেক্ষেত্রে, আমি দুঃখিত। প্রোসেসরঃ ডেস্কটপ কম্পিউটারের কথা বলি আর ল্যাপটপ, ‘প্রোসেসর’ হচ্ছে এই দুটি ডিভাইসেরই মূল অংশ। ‘প্রসেসর’, যার কাজ সহজে বললে বলতে হয় ‘প্রোসেস করা’। আপনার কম্পিউটারটির মাঝে প্রতিটি সেকন্ডে আপনার এবং মেশিনের, দুজনের ইন্সট্রাকশনই প্রসেস করে থাকে। এখন প্রসেসরের শক্তির রকম ভেদ করা হয় প্রতিসেকেন্ডে বা একটি একক সময়ে এর প্রসেস করার ক্ষমতার উপর। বর্তমান সময়ে এ.এম.ডি এবং ইন্টেলের প্রসেসরের ল্যাপটপ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। তবে ব্র্যান্ডের দৌড়ে এখন পর্যন্ত ‘ইন্টেলের’ প্রসেসর বিশিষ্ট ল্যাপটপই বাজারে বেশি দেখা যায়। ল্যাপটপ কেনার আগে প্রসেসরের ‘জেনারেশন’ এবং এর ‘ক্লক-স্পিড’ খেয়াল করে কেনা উচিৎ। ‘জেনারেশন’ বা ‘প্রজন্ম’ থেকেই মোটামুটি বেসিক তথ্য আন্দাজ করে নেয়া সম্ভব। যেমন, ৩য় প্রজন্মের প্রসেসর একটি ল্যাপটপ নিশ্চয়ই একই সিরিজের ৪র্থ প্রজন্মের প্রসেসরের কার্যক্ষমতাকে হারাতে পারবেনা। উল্লেখ্য, সর্বশেষ বাজারে আসা সর্বশেষ জেনারেশেনের প্রসেসর বিশিষ্ট ল্যাপটপ গুলো কিছুটা দামী হয়ে থাকে, সেই সাথে এদের কার্যক্ষমতাও। ডেস্কটপের মত ল্যাপটপে প্রসেসর আপগ্রেড করা যায়না। যদিও, আপনি আপনার একই সিরিজের একই মডেলের মাদারবোর্ড এর সকেট সমর্থিত প্রসেসর আপগ্রেড করতে পারেন তবে এটা খুবই ঝামেলার একটি প্রোসেস এবং অভিজ্ঞ ব্যাক্তির সহায়তা ছাড়া একাজটি একদমই করা উচিৎ হবেনা। তাই, চেষ্টা করা উচিৎ ল্যাপটপ কেনার সময়েই ভালো মানের প্রসেসর যুক্ত একটি ল্যাপটপ কেনা। র‍্যামঃ আপনার ল্যাপটপের র‍্যামের মেমরী যত বেশি হবে আপনার ল্যাপটপটি তত দ্রুত লাগবে আপনার কাছেই। স্বাভাবিক ভাবে ২ গিগাবাইট এবং ৪ গিগাবাইট র‍্যাম মেমরী বিশিষ্ট ল্যাপটপ বাজারে বেশি বিক্রি হয়ে থাকে তবে এটি সহজেই আপনি পরবর্তী সময়ে যোগ করতে পারবেন। এছাড়াও মেমরী টাইপ এবং এর বাস স্পিড এর দিকে খেয়াল রাখবেন। বর্তমান বাজারে DDR3 মানের মেমরী টাইপের ল্যাপটপ ছাড়া আপাতত চোখে পড়েনি আমার। আপনি যত মেমরী বিশিষ্ট ল্যাপটপই কিনতে চান খেয়াল রাখবেন ল্যাপটপটি সর্বোচ্চ কত পরিমানের র‍্যাম সাপোর্ট করে থাকে যেন পরবর্তীসময়ে ইচ্ছেমত আপনি র‍্যাম লাগিয়ে নিতে পারেন। জি.পি.ইউঃ ‘গ্রাফিক্স প্রোসেসিং ইউনিট’ একটি গুরুত্ব পূর্ন কম্পোনেন্ট। সাধারন ভাবে ল্যাপটপের মূল চিপে বিল্ট ইন গ্রাফিক্স হিসেবে ইন্টেল এইচডি ৩০০০/৪০০০ দেয়াই থাকে তবে ল্যাপটপের ক্ষেত্রে আপনি গ্রাফিক্স ছাড়া একটি ল্যাপটপ কেনার পর পরবর্তী সময়ে আপাতত আপনি গ্রাফিক্স কার্ড যোগ করতে পারবেন না। তাই, চেষ্টা করুন ‘গ্রাফিক্স কার্ড’ সম্বলিত একটি ল্যাপটপ কেনার। বর্তমান বাজারে ১ গিগাবাইট ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড বিশিষ্ট ল্যাপটপ ৩৮-৪০ হাজার টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছে। ডিসপ্লে / মনিটরঃ এটিও আসলে আপনার চাহিদার সাথেই সম্পর্কিত। কাজ করা জন্য স্বাভাবিক ভাবে ১৪” স্ক্রিনের ল্যাপটপ গুলো বেশি জনপ্রিয়। তবে, আপনি আপনার কাজের ধারা অনুযায়ী মনিটর কিনতে চেষ্টা করুন। বর্তমান বাজারে মনিটর এর মাপ যাই হোক না কেন এলসিডি মনিটরগুলোই জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছে। অবশ্য আমার এই জরিপ ব্যাক্তিগত এবং টাকা এই জরিপে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করেছে। তবে চোখের জন্য ‘এলইডি’ মনিটরই ভালো হবে। হার্ড ডিস্কঃ সাধারণত ২৫০ গিগাবাইট, ৩২০ গিগাবাইট, ৫০০ গিগাবাইট, ৭৫০ গিগাবাইট এবং ১ টেরাবাইটযুক্ত ল্যাপটপ গুলোই বাজারে বেশি পাওয়া যায়। তবে, আপনি ইচ্ছে করলেই আপনার হার্ড ডিস্ক আপগ্রেড করতে পারবেন, সেক্ষেত্রে প্রথমেই খুব বেশি চিন্তা করার দরকার নেই। তবে হার্ডিডিস্কের আরপিএম চেক করে ল্যাপটপ কিনতে ভুলবেন না। ব্যাটারীঃ ল্যাপটপ কেনার সময় এর ব্যাটারী ব্যাক আপ সম্পর্কে অবগত হন। ল্যাপটপ যখন খুশি যেখানে ইচ্ছা আপনি ব্যবহার করতে পারছেন সেটাতো এই ল্যাপটপের কারনেই। বাজারে ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে ৪ সেল এবং ৬ সেলের ব্যাটারী পাওয়া যায়। অন্যান্যঃ আরও কিছু ছোট ছোট বিষয় মাথায় রাখা উচিৎ ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে। যেমন, ল্যাপটপের ওজন। একটু বাজার ঘুরলেই আপনি বিভিন্ন ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানির তৈরী আল্ট্রা স্লিম ল্যাপটপ দেখতে পারবেন যেগুলো খুবই আকর্ষনিয়। আল্ট্রা বুকের ক্ষেত্রে অবশ্য দাম কিছুটা হলেও বেশি পরবে তবে এতে করে আপনার ল্যাপটপটি দেখতে আকর্ষনিয় হবে এবং এর ওজনও হবে কম। যারা ল্যাপটপ ব্যাক প্যাকে নিয়ে চলাফেরা করি তারা ভালো করেই জানেন যে একটি ভারী ল্যাপটপ বহন করা কতটা ঝামেলার। ওয়েবক্যামঃ ল্যাপটপের সাথে একটি ওয়েব ক্যামেরা দেয়া থাকে যাতে করে আপনি ভিডিও কল, ভিডিও চ্যাট অথবা ভিডিও কনফারেন্সের মত জরুরী কাজের পাশাপাশি টুক টাক সেলফিও মাঝে মাঝে তুলতে পারেন। এক্ষেত্রে বর্তমানের ল্যাপটপ গুলোতে ২ মেগাপিক্সেলের ওয়েব ক্যামেরা যুক্ত থাকে এবং ল্যাপটপ ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানিগুলো এগুলোকে এইচডি বলেও দাবি করেন। তাই, ক্যামেরা কেনার সময় লক্ষ্য রাখবেন ওয়েব ক্যামেরার মানের উপর। সাউন্ডঃ আপনি যদি গান পাগল হয়ে থাকেন অথবা ল্যাপটপ দিয়ে মুভি দেখার কাজটা ভালো ভাবেই চালিয়ে নিতে চান তবে পারলে ল্যাপটপের সাউন্ডের ব্যাপারের সচেতন হন। দামি ল্যাপটপ গুলোতে স্পিকারের পাশাপাশি উফারও দেয়া থাকে এবং সেক্ষেত্রে মোটামুটি ভালো মানের সাউন্ড পাওয়া যায়। তবে উফার ছাড়া ল্যাপটপ গুলোর সাউন্ডের মান ঠিক ততোটা ভালো হয়না। আমি ডেল এবং এইচপি’র তিনটি ল্যাপটপ পরীক্ষা করে দেখেছি। তিনটির একটিরও সাউন্ড কোয়ালিটি আমার ভালো লাগেনি। অবশ্য, ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ছোট স্পিকার ব্যবহার করতে হয় বলে হয়তো এর সাউন্ড কোয়ালিটি ততটা আশানুরুপ হয়না, এই ব্যাপারটিতে আমি নিশ্চিত নই। ইউ.এস.বি পোর্টঃ বর্তমানে বাজারে যে সকল ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর সবগুলো পোর্ট অথবা দু’টি পোর্ট সাধারনত ইউ.এস.বি ৩ পোর্টের হয়ে থাকে। ইউ.এস.বি ৩ পোর্টের সাহায্যে আপনি কিছুটা দ্রুত ডাটা ট্রানসফার করতে পারবেন। বডিঃ বিভিন্ন রকমের বডির প্রকারভেদে ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে এখন। মেটাল ফিনিশ, প্লাস্টিক, ম্যাট – এর মাঝে আমার ম্যাট ফিনিশিং এর ল্যাপটপই বেশি পছন্দ। তবে, আপনার পছন্দ নিশ্চয়ই আমার পছন্দ থেকে আলাদা হতেই পারে। মূলত এই ব্যাপারগুলোর উপর লক্ষ্য রেখেই ল্যাপটপ কিনতে হয়। আপনি বাজারে জনপ্রিয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ কিনতে পারেন এবং কেনার সময় ওয়ারেন্টির কাগজ পত্র দেখে নিন। বাজারে বর্তমানে প্রায় সব ল্যাপটপের সাথেই ৩ বছরের ওয়ারেন্টি থেকে থাকে। ৩ বছরতো আর কম সময় নয়, আর ভালো ব্র্যান্ডের একটি দামি ল্যাপটপও যে নষ্ট হবেনা তা-ও নয়। তাই ভালো করে ওয়ারেন্টি’র কাগজ পত্র গুলো দেখে নিন। আর, ল্যাপটপের ড্রাইভার এর ব্যাক-আপ অথবা ডিস্ক বুঝে নিতেও ভুলবেন না। ল্যাপটপ কিনতে চাইলে আপনি আইডিবি ভবনের রায়ানস, কম্পিউটার সোর্স, রিশিত কম্পিউটার্স, ড্যাফোডিল কম্পিউটার – দোকানগুলো ঘুরে কিনতে পারেন। আইডিবি ভবনে আরও অনেক দোকানই আছে তবে উল্লেখিত দোকানগুলোতে মোটামুটি বেশি কালেকশন পাওয়া যাবে। আর এদের সার্ভিস সেন্টার গুলো দ্রুত এবং ভালো সেবা প্রদান করে থাকে। আর, এই দোকানগুলোর বেশির ভাগেরই ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে শাখা রয়েছে। ল্যাপটপ কেনার সময় পারলে অভিজ্ঞ কাউকে নিয়ে যাবেন। আপনি যদি ল্যাপটপের বিষয়ে দক্ষ না হয়ে থাকেন তবে এমন কাউকেও নেবেন না যে আপনাকে সাহায্য করতে পারবে না সোর্সঃ প্রিয়ডটকম

বিস্তারিত পড়ুন: http://newpostbd.com/if-you-buy-a-new-a-laptop-so-follow-instruction/
কপিরাইট © নিউপোষ্টবিডি.কম
প্রযুক্তির এই সময়ে অনেক রকমের ডিভাইসের মাঝে অন্যতম একটি খুবই প্রয়োজনীয় ডিভাইস হচ্ছে ‘ল্যাপটপ’। প্রয়োজনের তাগিদে প্রযুক্তি পন্যগুলো আস্তে আস্তে যেন ছোট হয়ে আসছে। চিপ, মাইক্রো চিপ, ন্যানো চিপ – যেন চলছে প্রযুক্তিকে সাধারন দৃষ্টি সীমার বাইরে নেবার। এরকম চেষ্টা চলছিল বলেই হয়ত আজকে আমি আমার ল্যাপটপটি দিয়ে লিখে যেতে পারছি। acer-aspire-e1-570-6803-15-6-inch-laptop এটি একটি স্যাম্বল ফটো মাত্র এসপ্তাহেই আমি দু’টি ল্যাপটপ কিনেছি। না, কোনটিই আমার জন্যে নয়। আমার ভূমিকা সীমাবদ্ধ ছিল ‘সাজেশন দাতা’ হিসেবেই। এই দুটি ল্যাপটপ কেনার পর বা সঠিক ভাবে বললে সাজেস্ট করার পর মনে হল যে এই প্রসঙ্গে একটি সচেতনতা মূলক ব্লগ পোষ্ট লিখলে সবার না হোক, অন্তত দু’এক জনের উপকারেতো আসবেই। সবাইতো আর টেক গিক নয়, অবশ্য ল্যাপটপ কেনার ব্যাপারে টেক গিক হবার প্রয়োজনও কই? যাই হোক, এজন্যেই আজকের এই ব্লগ পোষ্টটি লিখতে বসা। চলুন, দেখা যাক আপনাদের উপকারে আসতে পারি কি না। আকারে তুলনামূলক ভাবে ছোট, ওজনে কম এবং সহজে বহনশীল – এভাবেই হয়ত ল্যাপটপকে করা যায় সংজ্ঞায়িত। বেশির ভাগ মানুষেরই তাদের কম্পিউটারের হাতেখড়ি শুরু হয়ে থাকে ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকে এবং পরবর্তী সময়ে সময় এবং প্রয়োজনের তাগিদে তারা ল্যাপটপ কিনে থাকেন। ডেস্কটপ কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সম্পর্কে যারা কিছুটা হলেও জানেন তাদের জন্য আসলে ল্যাপটপ কেনাটা খুব সহজই হয়ে যায়, কেননা মূল দিক গুলোতে থাকেনা কোন প্রকারের পার্থক্য। তবে অনেক ডেস্কটপ ব্যবহারকারী রয়েছেন যাদের কম্পিউটারের জ্ঞান অনেকটাই মাইক্রোসফট অফিস এর মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাদের ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হয় ল্যাপটপ কিনতে গেলে কেননা তারা কষ্ট বা অনেক সময় সনাতন ভয়ের কারনে মাইক্রোসফট অফিসের গন্ডি থেকে না বেরিয়ে কখনোই হার্ডওয়্যার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেননি। যাই হোক, আপনি যদি এমন হয়ে থাকেন তবে আপনি আশা করছি সঠিক পোষ্টটিই পড়ছেন। পড়তে থাকুন, কাজে লাগবেই। এখন আর কথা না বাড়িয়ে আমি শুরু করছি যে ঠিক কোন কোন বিষয়গুলো একটি ল্যাপটপ কেনার আগে মাথায় রাখা উচিৎঃ প্রয়োজন এবং সাধ্যঃ আপনাকে প্রথমে আপনার নিজের প্রয়োজনটাকে এবং আপনার সাধ্যের সমন্বয় ঘটাতে হবে। আপনার সাধ্য এবং প্রয়োজনের মাত্রার উপরেই আসলে নির্ভর করে আপনার কোন ধরনের কনফিগারেশনের ল্যাপটপ প্রয়োজন। বাজারেতো অনেক ধরনেরই ল্যাপটপ পাওয়া যায়। বিভিন্ন রকমের কনফিগারেশনের সেই ল্যাপটপগুলোর দামও হয় ভিন্ন ভিন্ন, তাই আপনার চাহিদা বুঝেই প্রথম সিদ্ধান্তে আসা উচিৎ আপনার। সেক্ষেত্রে, আপনি যদি বাড়িতে বসেই হাই গ্রাফিক্সের কাজ করতে চান তার জন্য আপনার ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে এলিয়েনওয়্যার কেনারতো কোন প্রয়োজন নেই। কেননা, ঐ দামে আপনি ডেস্কটপ কম্পিউটার কনফিগার করলে এরচেয়েও ভালো পারফর্মেন্স পাবেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। ধরছি, আপনার ল্যাপটপই লাগবে। আপনি সেই ল্যাপটপটি দিয়ে কি করতে চান? গান অথবা মুভি দেখবেন? মাইক্রোসফট অফিসে ভার্সিটির অ্যাসাইনমেন্ট প্রস্তুত করবেন নাকি অফিসের কাজ? হালকা-পাতলা গেম খেলবেন? – এই সবগুলো কাজই যদি হয়ে থাকে আপনার মূল বা স্বাভাবিক কাজ তবে এর জন্য খুব ভালো কনফিগারেশনের একটি ল্যাপটপ দরকার নেই। সেলেরন প্রসেসর বা ডুয়াল কোর প্রসেসরের একটি ল্যাপটপই আপনার এই চাহিদা গুলো পূরন করে দেবে খুব সহজেই। হয়তোবা সেলেরন আর ডুয়াল প্রসেসর আপনাকে ‘উচ্চ মানে গেম’ খেলতে সাহায্য করবেন না তবে আগেই আমি উল্লেখ করেছি ‘হালকা-পাতলা গেম’-এর কথা। আপনি যদি কিছুটা অ্যাডভান্স লেভেলের কাজ ল্যাপটপ দিয়ে করতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে আপনার ল্যাপটপের বাজেট বাড়াতে হবে। ধরুন, আপনি ভিডিও এডিট করতে চাচ্ছেন মোটামুটি প্রফেশনালি, তবে আপনার ল্যাপটপের র্যা ম বেশি হতে হবে। সাথে প্রসেসরটিও হতে হবে কিছুটা উন্নত মানের, লাগবে ভালো মানের গ্রাফিক্স সাপোর্ট। আর আপনি যদি ভালো ভালো গেম খেলতে চান হাই-পারফরমেন্সে তবেতো কথাই নেই, আপনাকে সোজাসুজি চলে যেতে হবে গেমিং সিরিজের ল্যাপটপের লাইনে। আবার আপনি স্লিম ল্যাপটপ চান কিনা – এটাও এযুগে ভেবে দেখবার মত একটি বিষয়। আসলে ‘প্রয়োজন বুঝে’ কেনাটাই ল্যাপটপ কেনার আগে খেয়াল করার মত বিষয়গুলোর সবচাইতে বড় একটি দিক। এখন আমি ভেঙ্গে ভেঙ্গে ল্যাপটপের হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট গুলো কি রকম বেছে নেয়া উচিৎ বলতে চেষ্টা করবো, কারও দ্বিমত থাকতেই পারে আমার মতামতের সাথে; সেক্ষেত্রে, আমি দুঃখিত। প্রোসেসরঃ ডেস্কটপ কম্পিউটারের কথা বলি আর ল্যাপটপ, ‘প্রোসেসর’ হচ্ছে এই দুটি ডিভাইসেরই মূল অংশ। ‘প্রসেসর’, যার কাজ সহজে বললে বলতে হয় ‘প্রোসেস করা’। আপনার কম্পিউটারটির মাঝে প্রতিটি সেকন্ডে আপনার এবং মেশিনের, দুজনের ইন্সট্রাকশনই প্রসেস করে থাকে। এখন প্রসেসরের শক্তির রকম ভেদ করা হয় প্রতিসেকেন্ডে বা একটি একক সময়ে এর প্রসেস করার ক্ষমতার উপর। বর্তমান সময়ে এ.এম.ডি এবং ইন্টেলের প্রসেসরের ল্যাপটপ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। তবে ব্র্যান্ডের দৌড়ে এখন পর্যন্ত ‘ইন্টেলের’ প্রসেসর বিশিষ্ট ল্যাপটপই বাজারে বেশি দেখা যায়। ল্যাপটপ কেনার আগে প্রসেসরের ‘জেনারেশন’ এবং এর ‘ক্লক-স্পিড’ খেয়াল করে কেনা উচিৎ। ‘জেনারেশন’ বা ‘প্রজন্ম’ থেকেই মোটামুটি বেসিক তথ্য আন্দাজ করে নেয়া সম্ভব। যেমন, ৩য় প্রজন্মের প্রসেসর একটি ল্যাপটপ নিশ্চয়ই একই সিরিজের ৪র্থ প্রজন্মের প্রসেসরের কার্যক্ষমতাকে হারাতে পারবেনা। উল্লেখ্য, সর্বশেষ বাজারে আসা সর্বশেষ জেনারেশেনের প্রসেসর বিশিষ্ট ল্যাপটপ গুলো কিছুটা দামী হয়ে থাকে, সেই সাথে এদের কার্যক্ষমতাও। ডেস্কটপের মত ল্যাপটপে প্রসেসর আপগ্রেড করা যায়না। যদিও, আপনি আপনার একই সিরিজের একই মডেলের মাদারবোর্ড এর সকেট সমর্থিত প্রসেসর আপগ্রেড করতে পারেন তবে এটা খুবই ঝামেলার একটি প্রোসেস এবং অভিজ্ঞ ব্যাক্তির সহায়তা ছাড়া একাজটি একদমই করা উচিৎ হবেনা। তাই, চেষ্টা করা উচিৎ ল্যাপটপ কেনার সময়েই ভালো মানের প্রসেসর যুক্ত একটি ল্যাপটপ কেনা। র‍্যামঃ আপনার ল্যাপটপের র‍্যামের মেমরী যত বেশি হবে আপনার ল্যাপটপটি তত দ্রুত লাগবে আপনার কাছেই। স্বাভাবিক ভাবে ২ গিগাবাইট এবং ৪ গিগাবাইট র‍্যাম মেমরী বিশিষ্ট ল্যাপটপ বাজারে বেশি বিক্রি হয়ে থাকে তবে এটি সহজেই আপনি পরবর্তী সময়ে যোগ করতে পারবেন। এছাড়াও মেমরী টাইপ এবং এর বাস স্পিড এর দিকে খেয়াল রাখবেন। বর্তমান বাজারে DDR3 মানের মেমরী টাইপের ল্যাপটপ ছাড়া আপাতত চোখে পড়েনি আমার। আপনি যত মেমরী বিশিষ্ট ল্যাপটপই কিনতে চান খেয়াল রাখবেন ল্যাপটপটি সর্বোচ্চ কত পরিমানের র‍্যাম সাপোর্ট করে থাকে যেন পরবর্তীসময়ে ইচ্ছেমত আপনি র‍্যাম লাগিয়ে নিতে পারেন। জি.পি.ইউঃ ‘গ্রাফিক্স প্রোসেসিং ইউনিট’ একটি গুরুত্ব পূর্ন কম্পোনেন্ট। সাধারন ভাবে ল্যাপটপের মূল চিপে বিল্ট ইন গ্রাফিক্স হিসেবে ইন্টেল এইচডি ৩০০০/৪০০০ দেয়াই থাকে তবে ল্যাপটপের ক্ষেত্রে আপনি গ্রাফিক্স ছাড়া একটি ল্যাপটপ কেনার পর পরবর্তী সময়ে আপাতত আপনি গ্রাফিক্স কার্ড যোগ করতে পারবেন না। তাই, চেষ্টা করুন ‘গ্রাফিক্স কার্ড’ সম্বলিত একটি ল্যাপটপ কেনার। বর্তমান বাজারে ১ গিগাবাইট ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড বিশিষ্ট ল্যাপটপ ৩৮-৪০ হাজার টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছে। ডিসপ্লে / মনিটরঃ এটিও আসলে আপনার চাহিদার সাথেই সম্পর্কিত। কাজ করা জন্য স্বাভাবিক ভাবে ১৪” স্ক্রিনের ল্যাপটপ গুলো বেশি জনপ্রিয়। তবে, আপনি আপনার কাজের ধারা অনুযায়ী মনিটর কিনতে চেষ্টা করুন। বর্তমান বাজারে মনিটর এর মাপ যাই হোক না কেন এলসিডি মনিটরগুলোই জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছে। অবশ্য আমার এই জরিপ ব্যাক্তিগত এবং টাকা এই জরিপে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করেছে। তবে চোখের জন্য ‘এলইডি’ মনিটরই ভালো হবে। হার্ড ডিস্কঃ সাধারণত ২৫০ গিগাবাইট, ৩২০ গিগাবাইট, ৫০০ গিগাবাইট, ৭৫০ গিগাবাইট এবং ১ টেরাবাইটযুক্ত ল্যাপটপ গুলোই বাজারে বেশি পাওয়া যায়। তবে, আপনি ইচ্ছে করলেই আপনার হার্ড ডিস্ক আপগ্রেড করতে পারবেন, সেক্ষেত্রে প্রথমেই খুব বেশি চিন্তা করার দরকার নেই। তবে হার্ডিডিস্কের আরপিএম চেক করে ল্যাপটপ কিনতে ভুলবেন না। ব্যাটারীঃ ল্যাপটপ কেনার সময় এর ব্যাটারী ব্যাক আপ সম্পর্কে অবগত হন। ল্যাপটপ যখন খুশি যেখানে ইচ্ছা আপনি ব্যবহার করতে পারছেন সেটাতো এই ল্যাপটপের কারনেই। বাজারে ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে ৪ সেল এবং ৬ সেলের ব্যাটারী পাওয়া যায়। অন্যান্যঃ আরও কিছু ছোট ছোট বিষয় মাথায় রাখা উচিৎ ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে। যেমন, ল্যাপটপের ওজন। একটু বাজার ঘুরলেই আপনি বিভিন্ন ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানির তৈরী আল্ট্রা স্লিম ল্যাপটপ দেখতে পারবেন যেগুলো খুবই আকর্ষনিয়। আল্ট্রা বুকের ক্ষেত্রে অবশ্য দাম কিছুটা হলেও বেশি পরবে তবে এতে করে আপনার ল্যাপটপটি দেখতে আকর্ষনিয় হবে এবং এর ওজনও হবে কম। যারা ল্যাপটপ ব্যাক প্যাকে নিয়ে চলাফেরা করি তারা ভালো করেই জানেন যে একটি ভারী ল্যাপটপ বহন করা কতটা ঝামেলার। ওয়েবক্যামঃ ল্যাপটপের সাথে একটি ওয়েব ক্যামেরা দেয়া থাকে যাতে করে আপনি ভিডিও কল, ভিডিও চ্যাট অথবা ভিডিও কনফারেন্সের মত জরুরী কাজের পাশাপাশি টুক টাক সেলফিও মাঝে মাঝে তুলতে পারেন। এক্ষেত্রে বর্তমানের ল্যাপটপ গুলোতে ২ মেগাপিক্সেলের ওয়েব ক্যামেরা যুক্ত থাকে এবং ল্যাপটপ ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানিগুলো এগুলোকে এইচডি বলেও দাবি করেন। তাই, ক্যামেরা কেনার সময় লক্ষ্য রাখবেন ওয়েব ক্যামেরার মানের উপর। সাউন্ডঃ আপনি যদি গান পাগল হয়ে থাকেন অথবা ল্যাপটপ দিয়ে মুভি দেখার কাজটা ভালো ভাবেই চালিয়ে নিতে চান তবে পারলে ল্যাপটপের সাউন্ডের ব্যাপারের সচেতন হন। দামি ল্যাপটপ গুলোতে স্পিকারের পাশাপাশি উফারও দেয়া থাকে এবং সেক্ষেত্রে মোটামুটি ভালো মানের সাউন্ড পাওয়া যায়। তবে উফার ছাড়া ল্যাপটপ গুলোর সাউন্ডের মান ঠিক ততোটা ভালো হয়না। আমি ডেল এবং এইচপি’র তিনটি ল্যাপটপ পরীক্ষা করে দেখেছি। তিনটির একটিরও সাউন্ড কোয়ালিটি আমার ভালো লাগেনি। অবশ্য, ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ছোট স্পিকার ব্যবহার করতে হয় বলে হয়তো এর সাউন্ড কোয়ালিটি ততটা আশানুরুপ হয়না, এই ব্যাপারটিতে আমি নিশ্চিত নই। ইউ.এস.বি পোর্টঃ বর্তমানে বাজারে যে সকল ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর সবগুলো পোর্ট অথবা দু’টি পোর্ট সাধারনত ইউ.এস.বি ৩ পোর্টের হয়ে থাকে। ইউ.এস.বি ৩ পোর্টের সাহায্যে আপনি কিছুটা দ্রুত ডাটা ট্রানসফার করতে পারবেন। বডিঃ বিভিন্ন রকমের বডির প্রকারভেদে ল্যাপটপ পাওয়া যাচ্ছে এখন। মেটাল ফিনিশ, প্লাস্টিক, ম্যাট – এর মাঝে আমার ম্যাট ফিনিশিং এর ল্যাপটপই বেশি পছন্দ। তবে, আপনার পছন্দ নিশ্চয়ই আমার পছন্দ থেকে আলাদা হতেই পারে। মূলত এই ব্যাপারগুলোর উপর লক্ষ্য রেখেই ল্যাপটপ কিনতে হয়। আপনি বাজারে জনপ্রিয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ কিনতে পারেন এবং কেনার সময় ওয়ারেন্টির কাগজ পত্র দেখে নিন। বাজারে বর্তমানে প্রায় সব ল্যাপটপের সাথেই ৩ বছরের ওয়ারেন্টি থেকে থাকে। ৩ বছরতো আর কম সময় নয়, আর ভালো ব্র্যান্ডের একটি দামি ল্যাপটপও যে নষ্ট হবেনা তা-ও নয়। তাই ভালো করে ওয়ারেন্টি’র কাগজ পত্র গুলো দেখে নিন। আর, ল্যাপটপের ড্রাইভার এর ব্যাক-আপ অথবা ডিস্ক বুঝে নিতেও ভুলবেন না। ল্যাপটপ কিনতে চাইলে আপনি আইডিবি ভবনের রায়ানস, কম্পিউটার সোর্স, রিশিত কম্পিউটার্স, ড্যাফোডিল কম্পিউটার – দোকানগুলো ঘুরে কিনতে পারেন। আইডিবি ভবনে আরও অনেক দোকানই আছে তবে উল্লেখিত দোকানগুলোতে মোটামুটি বেশি কালেকশন পাওয়া যাবে। আর এদের সার্ভিস সেন্টার গুলো দ্রুত এবং ভালো সেবা প্রদান করে থাকে। আর, এই দোকানগুলোর বেশির ভাগেরই ঢাকার বাইরে বিভিন্ন স্থানে শাখা রয়েছে। ল্যাপটপ কেনার সময় পারলে অভিজ্ঞ কাউকে নিয়ে যাবেন। আপনি যদি ল্যাপটপের বিষয়ে দক্ষ না হয়ে থাকেন তবে এমন কাউকেও নেবেন না যে আপনাকে সাহায্য করতে পারবে না সোর্সঃ প্রিয়ডটকম

বিস্তারিত পড়ুন: http://newpostbd.com/if-you-buy-a-new-a-laptop-so-follow-instruction/
কপিরাইট © নিউপোষ্টবিডি.কম
Share:

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *